কুমিল্লায় পুলিশ ও ডাকাতের ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ১৪ মামলার আসামি আবদুল হালিম নামে একজন নিহত হয়েছেন। এ সময় জেলা ডিবি পুলিশের ওসিসহ ৩ পুলিশ আহত হয়েছেন। এছাড়া ৩ ডাকাতকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বুধবার রাত ২টার দিকে জেলার বুড়িচং উপজেলার কংশনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ডাকাত হালিম ওই উপজেলার বাজেবাহেরচর গ্রামের মফিজুল ইসলাম মাবুর ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল-মামুন ও তানভীর সালেহীন ইমন, ডিবির ওসি নাসির উদ্দিন মৃধাসহ জেলা ডিবির পৃথক ৩টি টিম বুধবার রাতে জেলার বুড়িচং উপজেলা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালায়। তারা জানতে পারেন কংশনগর এলাকার একটি ইটভাটার সামনে কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে ১৪-১৫ জনের সশস্ত্র ডাকাত দল ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এতে পুলিশের ওই ৩টি টিম সমবেত হয়ে রাত ২টার দিকে ওই এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় ডাকাতরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তাদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। এতে ডিবির ওসি নাসির উদ্দিন মৃধা, কনস্টেবল আবদুল্লাহ ও সাইফুল ইসলাম জখম হন। এ সময় পুলিশও আত্মরক্ষার্থে ৪৭ রাউন্ড শটগানের পাল্টা গুলি ছোড়ে।
ডিবির এসআই শাহ কামাল আকন্দ জানান, উভয়পক্ষের গোলাগুলি চলাকালে ডাকাতদের গুলিতে আবদুল হালিম নামে এক ডাকাত গুলিবিদ্ধ হন। পরে আহত হালিম, জাকির হোসেন ও লিমন সরকারকে গ্রেফতার করা হয়।
এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ১টি রিভলবার, ১ রাউন্ড গুলি, ২টি ধারালো ছুরি, ১টি রামদা, ১টি রড ও ৪টি মুখোঁশ উদ্ধার করা হয়। আহত ডাকাতকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও জানান, নিহত ডাকাত আবদুল হালিমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ১৪টি ও গ্রেফতার ডাকাত জাকিরের বিরুদ্ধে ৫টি মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় ডিবির এসআই সহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে বুড়িচং থানায় পৃথক ৩টি মামলা করেন।
কামাল উদ্দিন/এফএ/আরআইপি