দেশজুড়ে

বিজয়ের মাসে আওয়ামী লীগকে আবারও বিজয়ী করতে হবে

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, ডিসেম্বর মাস আমাদের জন্য যেমন দুঃখের মাস, আবার একই সাথে এটা আমাদের বিজয়ের মাস। আর এ মাসেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ৩০ ডিসেম্বরের এই নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীদের বিজয়ের মাধ্যমে দেশে আরেকটি বিজয় অর্জন করতে হবে।

বুধবার (২৮ নভেম্বর) রাতে সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের বিশেষ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সিলেট-১ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের মনোনয়নপত্র জমাদানের পর কর্মীদের সাথে মতবিনিময় উপলক্ষে রাতে নগরের হাফিজ কমপ্লেক্সে এ বিশেষ সভার আয়োজন করা হয়।

২০০১ সালের নির্বাচনী প্রসঙ্গ টেনে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য এমএ মুহিত বলেন, সে-বার জালিয়াতির নির্বাচনের কারণে আমাদের পরাজিত করা হয়েছে, এ সম্পর্কে আমরা দীর্ঘদিন প্রতিবাদ জানিয়েছি। অথচ আমাদের সরকারের আমলে স্বচ্ছতার সাথে নির্বাচন পরিচালনা করেছি। নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী ও নিরপেক্ষ করা হয়েছে। নির্বাচনের পরিবেশ এমনভাবে করা হয়েছে যে, এখন কোনো ভোট জালিয়াতির কোনো সুযোগ নেই। শুধুমাত্র পেশী শক্তির প্রয়োগের মাধ্যমে সেন্টার দখল ছাড়া কোনোভাবেই ভোট গ্রহণকে বিতর্কিত করা সম্ভব না। তবে সেটারও সম্ভাবনা খুব কম।

অর্থমন্ত্রী বিগত দশ বছরের সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের উদাহরণ টেনে বলেন, বিগত টানা ১০ বছর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ছিল, যার কারণে দেশে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। যা একটি নিয়ামত ছিল। এ সময়ে সিলেটসহ দেশের সব জায়গায়, গ্রামে-গঞ্জে শিক্ষা, যোগাযোগ, বিদ্যুৎসহ মানুষের জীবনমানের ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। যা ২০০৮ সালের আগে কল্পনাই করা যেত না।

তিনি উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, নির্বাচনে অন্যতম কার্যক্রম হচ্ছে গণসংযোগ, মানুষের দ্বারে দ্বারে যেতে হবে। সকল ভেদাভেদ ভুলে দলের জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে অবদান রাখতে হবে। ১০ বছরের সরকারের উন্নয়ন বার্তা জনগণের কাছে পৌঁছাতে হবে।

মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদের পরিচালনায় কর্মীসভায় বক্তব্য রাখেন সিলেট-১ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ড. একে মোমেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আহমদ আল কবির, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, সিলেট সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আশফাক আহমদ, মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালিক।

সভায় জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের মাঝে উপস্থিত ছিলেন সিরাজুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট রাজউদ্দিন, অ্যাডভোকেট মফুর আলী, বিজিত চৌধুরী, ফয়জুল আনোয়ার আলাওল, অধ্যক্ষ সুজাত আলী রফিক, অধ্যাপক জাকির হোসেন, শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, এটিএম হাসান জেবুল, জগদীশ দাশ, কাউন্সিলর আজাদুর রহমান আজাদ, মখলিছুর রহমান কামরান, ইলিয়াছুর রহমান ইলিয়াছ, আব্দুর রহমান জামিল, তপন মিত্র, জুবের খান, নুরুল ইসলাম পুতুল, আজহার উদ্দিন জাহাঙ্গীর, অ্যাডভোকেট সৈয়দ শামীম আহমদ, প্রিন্স সদরুজ্জামান, জাফর আহমদ চৌধুরী, হাজী রইছ আলী, ফরহাদ বক্স, মুকির হোসেন, বিধান কুমার সাহা, অ্যাডভোকেট আব্দুর রকিব বাবলু, ডা. নাজরা খাতুন, আলম খান মুক্তি, মুক্তাদির আহমদ মুক্তা, রাহাত তরফদারসহ আওয়ামী লীগ, শ্রমিকলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগ, নগরের ২৭টি ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দ।

ছামির মাহমুদ/বিএ