দেশজুড়ে

কক্সবাজারের পেকুয়ায় বিএনপি-৩ আ.লীগ-২ স্বতন্ত্র-২

কক্সবাজারে দ্বিতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে পেকুয়া উপজেলার সাত ইউপিতে ৯১ জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েছেন। রাত ৯টা নাগাদ পাওয়া খবরে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে এখানে ধরাশায়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা। সাত ইউনিয়নের নৌকা প্রতীকে চেয়ারম্যান হয়েছেন মাত্র দুজন। ধানের শীষ প্রতীকে জয় পেয়েছেন তিনজন। স্বতন্ত্র হিসেবে লড়ে জয় পেয়েছেন বাকি দুজন প্রার্থী। তবে প্রার্থীদের ভোটের ব্যবধান তাৎক্ষণিক জানাতে পারেননি নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা। বিকেল ৪টার পর থেকে ভোট গণনা শেষে বেসরকারিভাবে তাদের জয়ী ঘোষণা করেছেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। তথ্য মতে, বেসরকারি ফলাফলে পেকুয়া সদরে ৩ হাজার ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম বাহাদুর শাহ, মগনামা ইউনিয়নে বিএনপির শরাফত উল্লাহ ওয়াসিম এবং শীলখালী ইউপিতে বিএনপির নুরুল হোছাইন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া বারবাকিয়া ইউনিয়নে জামায়াত সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী মৌলানা বদিউল আলম, রাজাখালী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী সৈয়দ নুর, উজানটিয়া  ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের এম. শহীদুল ইসলাম চৌধুরী ও টইটং ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী  জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, কয়েকটি কেন্দ্রে বিশৃংখলা ছাড়া ৭ ইউনিয়নে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। ইউনিয়নগুলোর ৬৩টি ভোটকেন্দ্রের ২৯১টি স্থায়ী ও ৬৩টি অস্থায়ী ভোটকক্ষে ভোটগ্রহণ চলে। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে একটানা বিকেলে ৪টা পর্যন্ত নারী-পুরুষ লাইনে দাঁড়িয়ে নিজেদের পছন্দের প্রার্থীদের ভোট দেন। ৫২ হাজার ৪৫২ জন পুরুষ ও ৪৮ হাজার ৭৯৩ জন নারী ভোটার মিলে সাত ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল এক লাখ এক হাজার ২৪৫ জন।এদিকে পেকুয়া সদর ইউপি কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তারের অভিযাগে পেকুয়া উপেজলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম, যুব লীগের সভাপিত জাহাঙ্গীর ও উপজেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইউসুফ রুবেলকে আটক করে র্যাব। ভোট গ্রহণের সময় কয়েকটি কেন্দ্রে ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। এ কারণে মগনামা প্রাথিমক বিদ্যালয় কেন্দ্রের দেড়শ ভোট বাতিল করা হয়।কক্সবাজার জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মেছবাহ উদ্দিন জানান, ভোট সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয়েছে। কিছু কেন্দ্রের বাইরে বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী  মোতায়েন থাকায় এ সংঘর্ষ ভোট গ্রহণে কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি বলে উল্লেখ করেন তিনি। সায়ীদ আলমগীর/এনএফ/আরআইপি