বিনোদন

লোকার্নো ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে পাঁচ বাংলাদেশি নির্মাতা

কান, ভেনিস এবং বার্লিনের পরেই উচ্চারিত হয় ‘লোকার্নো ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল’র নাম। সে হিসেবে পৃথিবীর চতুর্থ সম্মানজনক প্রতিযোগিতামূলক চলচ্চিত্র উৎসব এটি।  আব্বাস কিয়ারোস্তামিসহ বহু বিশ্বখ্যাত চলচ্চিত্রকারকে আবিষ্কার করেছে ‘লোকার্নো ওপেন ডোরস’।রোকার্নো ওপেন ডোরসএ লোকার্নো’র প্রজেক্ট মার্কেট আর প্রডিউসার্স ল্যাবের নাম ‘ওপেন ডোরস’। যে দরজা’র কাজ হচ্ছে বিশ্বের উল্লেখযোগ্য দেশে আগামীতে যে গুরুত্বপূর্ণ ছবিগুলো নির্মিত হবে সেগুলোকে চিহ্নিত করে বিশ্ব প্রযোজকদের সামনে তুলে ধরা, গাইড করা কিংবা মোটা দাগে ওই ছবিগুলো বানাতে বিশ্বজুড়ে নানা রকম প্লাটফর্ম তৈরি করে দেওয়া এবং পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করা। শুধু তাই নয়, ‘ওপেন ডোরস’র বিবেচনায় সেরা প্রজেক্টকে ৫০ হাজার সুইস ফ্রাংক পুরস্কারও দেয়া হয়।বড় খবর হলো, আন্তর্জাতিক মানের এই প্রজেক্টে অংশগ্রহণকারী সেরাদের তালিকায় শুধুমাত্র বাংলাদেশ থেকেই জায়গা করে নিয়েছেন পাঁচজন! তারা হলেন ইশতিয়াক জিকো, আহমেদ সিমন, আদনান ইমতিয়াজ আহমেদ, আবু শাহেদ ইমন এবং রুবিয়ত হোসেইন। তিন বছর পর প্রতিযোগীদের নির্মিত সেরা ছবিকে ৫০ হাজার সুইস ফ্রাঁ পুরস্কার দেওয়া হবে।স্বাধীনচেতা চিত্রনির্মাতা, চিত্রনাট্যকার এবং প্রযোজকদের মেধাকে তুলে ধরতে গত ১৩ বছর ধরে লোকার্নো ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল এই প্রজেক্টের আয়োজন করছে। প্রতি বছর দক্ষিণ এশিয়া থেকে আটটি পর্যন্ত প্রজেক্ট নির্বাচিত হয়। গত তিন বছর ধরে আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, ভুটান, মায়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা এবং মালদ্বীপের মেধার দিকে বিশেষ নজর দিচ্ছে ‘ওপেন ডোরস’। সে ধারাবাহিকতাতেই এ বছর ১৪তম প্রজেক্টে জায়গা পেলেন বাংলাদেশি পাঁচ নির্মাতা।এলএ/আরআইপি