দেশজুড়ে

চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ

জেলার ডামুড্যা উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান দ্বীন মোহাম্মদ (দুলাল) মাদবরের বিরুদ্ধে রাস্তার পাশের সরকারি গাছ কেটে সাবাড় করার অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পরিষদ ভবনে বিদ্যুৎ সংযোগের অজুহাতে ইউনিয়ন পরিষদের সামনে থেকে ইসলামপুর বাজার এবং দক্ষিণ পাড়ার রাস্তার পার্শ্ববর্তী মেহগানী, আকাশী, কড়াই গাছগুলোর অধিকাংশই ইউপি চেয়ারম্যান ও তার লোকেরা কেটে নিয়ে গেছেন।পরবর্তিতে মাটি দিয়ে গাছের গোড়াগুলো ঢেকে দেওয়া হয়েছে। কিছু গাছ আবার স্থানীয় ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে রাখা হয়েছে যার গায়ে নম্বরও লেখা হয়েছে। এ ব্যাপারে ইউনিয়ন পরিষদের ৫নং ওয়ার্ড মেম্বার রিপন শিকদার বলেন, দুলাল মাদবর চেয়ারম্যান হওয়ার পর ইসলামপুর ইউনিয়নের সরকারি গাছগুলো বিভিন্ন সময় তার লোকজন দিয়ে কেটে নিয়েছে। গাছ কাটার খবর শুধু ইসলামপুর কেনো জেলার সবাই জানে। বন বিভাগ জানার পরেও কিছু গাছের গায়ে নম্বর লিখে ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে রেখে দিয়েছে সে।ইউনিয়ন পরিষদের ৪নং ওয়ার্ড মেম্বার আব্দুল মালেক বেপারী বলেন, সরকারি গাছ কেটে চেয়ারম্যান পরিষদের পুকুরে রেখেছিলেন দুলাল মাদবর। পরে সেগুলো নিয়ে তার বাড়ির ফার্নিচার বানিয়েছে শুনেছি। বিভিন্ন সময় সে গাছগুলো কেটেছে। কিন্তু সে আমাদেরকে জানানোর প্রয়োজনও মনে করেনি। এ ব্যাপারে নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন স্থানীয় লোকজন বলেন, চেয়ারম্যান পরিষদের ভবনে বিদ্যুৎ সংযোগের অজুহাতে বিভিন্ন রাস্তার গাছ কেটে নিয়েছেন দুলাল মাদবর। কিছু গাছ বিক্রি করেছেন। আর বাকি গাছ ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে রেখেছেন।ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান দ্বীন মোহাম্মদ (দুলাল) মাদবর বলেন, পরিষদের বিদ্যুৎ সংযোগের প্রয়োজনে কিছু গাছ কেটেছি। তবে বন বিভাগ ও উপজেলা কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেয়া হয়নি। কারণ তাদের অনুমতি নেয়ার জন্য দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন।এ ব্যাপারে জেলা বন বিভাগ কর্মকর্তা সুধীর কুমার ধর বলেন, গাছ কাটার ব্যাপারটি স্থানীয় লোকজন আমাকে জানালে আমি ডামুড্যা উপজেলা বন বিভাগ কর্মকর্তাকে দেখতে বলি। ঘটনাটি সত্য হলে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে।ছগির হোসেন/এফএ/এবিএস