ফেসবুকে রমজান নামে পুষ্টিহীন এক শিশুর ছবি প্রকাশ ও তাকে নিয়ে স্ট্যাটাস দেয়ার পর সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন সৌদি আরব প্রবাসীসহ তিনি ব্যক্তি। ইতোমধ্যে তারা আর্থিকভাবে ওই শিশুকে সহযোগিতা করেছেন।গত ১১ মে আয়শা আকাশী নামে মাদারীপুরের এক নারী সাংবাদিক শিশু রমজানের ছবি দিয়ে তার জীবন কাহিনী তুলে ধরে নিজের ফেসবুক ওয়ালে একটি স্ট্যাটাস দেন। সেই স্ট্যাটাসে ব্যাপক সাড়া পড়ে। দেশ বিদেশ থেকে অনেকেই ওই শিশুটির জন্য কিছু করার আশ্বাস দেন। তবে স্ট্যাটাস দেখে বাস্তবেই শিশুটির জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন মাদারীপুরের ছেলে সৌদি আরব প্রবাসী জিএম পলাশ, ঢাকা থেকে মনিরুল ইসলাম ও নেত্রকোনা থেকে মশিউর রহমান তালুকদার।শিশু রমজান (দশ মাস) মাদারীপুর শহরের কলেজ রোড এলাকার বাসিন্দা এমদাদ মৃধার ছেলে।জানা গেছে, গত ১০ মে রমজানকে নিয়ে তার মা রোকেয়া বেগম সাংবাদিক আয়শা আকাশীর বাড়িতে আসেন ছেলের চিকিৎসার সাহায্যের জন্য। এসময় ওই নারী সাংবাদিক শিশুটির কিছু ছবি তুলে এবং পরদিন তা ফেসবুকে পোস্ট করেন। সেই ছবি ও স্ট্যাস্ট্যাস দেখেই ওই ৩ ব্যক্তি সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন।ইতোমধ্যে তারা সাহায্যের টাকাও দিয়েছেন। সেই টাকা দিয়ে শিশু রমজানকে একজন চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা শুরু করা হয়েছে। এছাড়াও শিশুটির জন্য পুষ্টিকর খাবার কেনা হয়েছে বলে জানা যায়।শিশুটির মা রোকেয়া বেগম বলেন, আমার স্বামী একজন দিনমজুর। তিন সন্তান আমার। সংসারের খাবার যোগার করতেই হিমশিম খেতে হয়। রমজানকে ডাক্তার দেখানো কিংবা পুষ্টিকর খাবার খাওয়াতে পারিনা। তাই রমজান দিন দিন রোগা হয়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে সাংবাদিক আয়শা আকাশী বলেন, শিশুটি এতোটাই অপুষ্টির শিকার যে শিশুটিকে দেখে খুব মায়া হয়। তাই তার ছবি ফেসবুকে পোস্ট করি। সেই পোস্ট দেখে ইতোমধ্যে ৩ জন সহযোগিতা করেছে। আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। নাসিরুল হক/এমএএস/এবিএস