পরীক্ষার অনুমোদন পেল ৬ বিটি-ট্রান্সজেনিক ফসলের বীজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮:৫৮ এএম, ২৬ নভেম্বর ২০১৭
পরীক্ষার অনুমোদন পেল ৬ বিটি-ট্রান্সজেনিক ফসলের বীজ

বিটি (জিনগতভাবে রূপান্তরিত) ও ট্রান্সজেনিক (উন্নত বৈশিষ্ট্যের জন্য বংশগতির রূপান্তর সাধন) ছয়টি ফসলের বীজ ছাড়করণের জন্য গবেষণা ও পরীক্ষার অনুমোদন দিয়েছে ন্যাশনাল কমিটি অন বায়োসেফটি (এনসিবি)। এসব ফসলের মধ্যে দুটি ধানের জাত ও চারটি তুলার জাত রয়েছে।

এ বিষয়ে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় থেকে তিনটি আদেশ জারি করা হয়েছে। আদেশে বলা হয়েছে, এনসিবির নবম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফসলের এসব জাতের মধ্যে তুলার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবে বাংলাদেশ তুলা উন্নয়ন বোর্ড, ধান দুটির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিআরআরআই)।

যুক্তরাষ্ট্রের আর্কেডিয়া বায়োসায়েন্স ইনকর্পোরেশন থেকে লবণসহিষ্ণু ট্রান্সজেনিক আইআর৬৪ ধানের বীজ আমদানি করে কয়েকটি শর্তে পরীক্ষার জন্য অনুমতি দেয়া হয়েছে। এছাড়া ফিলিপাইনের আইআরআরআই-তে আইআরএস৪৯৫-২৭৪ ইভেন্টের আয়রন ও জিংক-সমৃদ্ধ ট্রান্সজেনিক ধানের বীজ আমদানির জন্য কয়েকটি শর্ত দেয়া হয়েছে।

এছাড়া ভারতের জেকে এগ্রি জেনেটিকস লিমিটেড থেকে চারটি হাইব্রিড বিটি তুলার জাতের বীজ আমদানি করে শর্ত সাপেক্ষে পরীক্ষার অনুমতি পেয়েছে তুলা উন্নয়ন বোর্ড।

আদেশে আরও বলা হয়, বায়োসেপটি গাইডলাইনস অব বাংলাদেশ এবং কার্টাগেনা প্রটোকল অন বায়োসেফটি অনুযায়ী ট্রান্সবাউন্ডারি মুভমেন্ট এবং হ্যান্ডলিং সম্পন্ন করতে হবে। এছাড়া এ জাতের পরীক্ষা শুধু আবদ্ধ অবস্থায় সম্পন্ন করতে হবে।

এসব বীজের ওপর গবেষণা পরিচালনার ক্ষেত্রে আমদানি থেকে শুরু কেরে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময় কোন কোন পর্যায়ে কী কী পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে এবং প্রতিটি ধাপে কী কী বায়োসেফটি পদক্ষেপ নেয়া হবে, মনিটরিং পদ্ধতির রূপরেখা এনসিবিসহ সংশ্লিষ্টদের জানাতে হবে।

আবদ্ধ পরীক্ষা চলাকালীন বায়োসেফটি পদক্ষেপ পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণসহ প্রতি ১৫ দিন পর পর সংশ্লিষ্টদের জানানোর কথাও বলা হয়েছে আদেশে।

এই বীজ ও এর কোনো জিনগত রূপান্তরের কোনো বৈশিষ্ট্য যদি পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ে সেক্ষেত্রে যেকোনো বিরূপ প্রভাবের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে দায়-দায়িত্ব বহন করতে হবে। এক্ষেত্রে প্রচলিত আইনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শাস্তি বা ক্ষতিপূরণমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরএমএম/বিএ/জেআইএম