ছোট পরিবারের জন্য এলো লাউয়ের নতুন জাত

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি গাজীপুর
প্রকাশিত: ০২:৩৬ পিএম, ১২ অক্টোবর ২০২০

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের খ্যাতিমান অধ্যাপক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক (গবেষণা) ড. একেএম আমিনুল ইসলাম লাউয়ের নতুন জাত উদ্ভাবন করেছেন। সোমবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগ এ তথ্য জানিয়েছে।

বাণিজ্যিক কৃষির বিষয়টি মাথায় রেখে বিইউ লাউ-২ নামের এই জাতের উদ্ভাবক প্রফেসর আমিনুল ইসলাম বলেন, জাতটির অঙ্গজ বৃদ্ধি কম হওয়ায় স্বল্প জায়গায় এমনকি ছাদ বাগানেও সহজে চাষ করা সম্ভব। তাছাড়া ফল ছোট আকারের হওয়ায় এক বেলার জন্য লাউ কেটে বাকিটা রেখে দিলেও স্বাদ ও গুণাগুণ নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা নেই। জাতটি দেশের সবজির চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও জানান, উচ্চ ফলনশীল এই জাতটি উন্মুক্ত পরাগায়িত। জাতটির ফলনের তুলনায় অঙ্গজ বৃদ্ধি খুব কম, যা আধুনিক বা স্মার্ট কৃষির জন্য উপযোগী।

তাছাড়াও পুং ও স্ত্রী ফুলের অনুপাত কম হওয়ায় গাছে খাদ্যের যে জোগান দেয়া হয় তা অত্যন্ত মিতব্যয়িতার সঙ্গে ব্যবহার করে জাতটি অধিক ফলন দেয় বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, জাতটির গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো আগাম জাত হিসেবে জুলাই-আগস্ট মাস থেকেই এর বীজ বপন করা যায়। দেশি লাউয়ের মতো এ জাতটি হালকা সবুজ বর্ণের, গিঁটে গিঁটে ফল ধরে, ফলের গড় ওজন ১.৫-২.০ কেজি, যা বর্তমান সমাজের ছোট পরিবারগুলোর চাহিদার সঙ্গে মানানসই।

বিইউ লাউ-২ জাতটি বিদেশি মাতা লাউয়ের সঙ্গে দেশি পিতা লাউয়ের শঙ্করায়ণ-পরবর্তী নির্বাচনের মাধ্যমে উদ্ভাবন করা হয়েছে। লাউয়ের জাতটি উদ্ভাবনে ৬-৭ বছর সময় লেগেছে বলেও উল্লেখ করেন এ গবেষক।

আমিনুল ইসলাম/এফএ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]