ধান উৎপাদন ভালো হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি মাগুরা
প্রকাশিত: ০১:০৩ পিএম, ০৮ নভেম্বর ২০২০

চলতি রোপা আমন মৌসুম মাগুরা জেলায় লক্ষমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে রোপা আমন ধানের আবাদ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে আমন ধান কাটা। কৃষকরা ফলনও ভালো পেয়েছেন। ফলন ভালো পাওয়ায় তাই কৃষকের মুখে ফুটেছে সোনালি হাসি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে মাগুরা জেলায় ১ লাখ ৭৪ হাজার ৯শ এক মেট্রিকটন আমন ধান উৎপাদনের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এবছর জেলায় একষট্টি হাজার ৫শ ৮৫ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ করা হয়েছে।

এর মধ্যে, সদর উপজেলায় ২৩ হাজার ৫শ ৫৫ হেক্টর, শালিখায় ১৪ হাজার ১শ ৯০, মহম্মদপুরে ১২ হাজার ৩শ ২০ ও শ্রীপুরে ১১ হাজার ৫শ ২০ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ করা হয়েছে।

এবার পোকা মাকড়ের আক্রমণ না থাকায় ফলনও ভালো হয়েছে। ইতিমধ্যেই আমন ধান পাকতে শুরু করেছে। শুরু হয়েছে ধান কাটাও।

সদর উপজেলার কৃষক আব্দুল্লাহ জানান, এবছর ধানের ফলন ভালো হয়েছে। এছাড়া ধানের খড়ও এখন গো খাদ্য হিসেবে বেশি দামে বিক্রি করতে পারছে তাতেও বেল লাভবান হচ্ছেন তারা।

শালিখা উপজেলার বুনাগাতি গ্রামের কৃষক আব্দুল হাই জানান, আমরা পায়জাম ধানের আবাদ করেছিলাম। ধান পেকেছে, ধান কাটা শুরু করেছি। ফলনও ভালো পাচ্ছি। দামও বেশ ভালো।

Magura-Agriculture-(1).jpg

একই এলাকার কৃষক আশরাফুল জানান, আমি দানিগুল ধানের চাষ করেছি। এ ধান আগাম পাকে। ধান পেকেছে। কাটতে শুরু করেছি। এবার ধানের ফলন ভালোই পাচ্ছি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সুশান্ত কুমার প্রামাণিক জানান, এবছর আবহাওয়া ভালো থাকায় পোকা-মাকড়ের সংক্রমণ দেখা যায়নি। ফলে উৎপাদন লক্ষমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছি।

তিনি আরো বলেন- এ চাষ সফল করার লক্ষে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কৃষিকদের মাঝে উন্নত জাতের বীজ, সার ও কীটনাশকসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য কৃষি উপকরণ সরবরাহ নিশ্চিত করেছে।

এছাড়া, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকসহ অন্যান্য বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো কৃষকদের মাঝে প্রয়োজনীয় ঋণ সহায়তা প্রদান করেছে।

মো. আরাফাত হোসেন/ এমএমএফ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]