ঝিনাইদহ জেলার বাজার দখল করে রেখেছে ভারতীয় বাইসাইকেল। দেশি বাইসাইকেলের দাম কম হলেও ক্রেতাদের কাছে ভারতীয় সাইকেলেরই কদর বেশি। অনুসন্ধানে জানা গেছে, যশোর, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, মাগুরা, নড়াইল, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলার বাইসাইকেলের দোকানগুলো ভারতীয় বাইসাইকেলে সয়লাব। নানা ব্র্যান্ডের ভারতীয় সাইকেল আসছে আমদানির মাধ্যমে। আবার অবৈধভাবেও আসছে প্রচুর সাইকেল।ঝিনাইদহ বিজিবি-৫৮ সূত্রে জানা যায়, গত ২০ মে রাতে বাঘাডাংগা টহলদল মহেশপুর উপজেলার খোশালপুর মাঠ থেকে ভারতীয় একটি এভন বাইসাইকেল ও একটি হারকিউলিস বাইসাইকেল আটক করে। যার আনুমানিক মূল্য ১০,০০০ টাকা। আবার তার আগের রাতে শ্যামকুড় বিওপি টহলদল আরও একটি নতুন হারকিউলিস সাইকেল আটক করে। যার আনুমানিক মূল্য ৫,০০০ টাকা।ঝিনাইদহের এক বাইসাইকেল দোকানি নাম প্রকাশ না কারর শর্তে জানান, ভারতীয় বিএসএ বাইসাইকেল ৬ হাজার ১শ টাকা, ক্যাপটেন সাড়ে ৫ হাজার টাকা, এ্যাভন ৫ হাজার ২শ টাকা, টাটা জ্যাম্ব সাড়ে ৫ হাজার টাকা, হিরো ৫ হাজার ৬শ টাকা ও হারকিউলিস ৫ হাজার ৭শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।অন্যদিকে বাংলাদেশি বিএসএ ৩ হাজার ৮শ টাকা, মেঘনা ৯ হাজার টাকা ও দূরন্ত সাইকেল বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ২শ টাকা দরে। এসব সাইকেলের মান ভারতীয় সাইকেল থেকে ভালো। ঝিনাইদহের শৈলকুপার সবুজ উদ্দিন নামে একজন বাইসাইকেল ব্যবসায়ী জানান, ক্রেতা দোকানে এসেই ভারতীয় সাইকেল চায়। বাংলাদেশে তৈরি সাইকেলের চাহিদা খুবই কম। মাসে ভারতীয় সাইকেল একশটা বিক্রি হলে, বাংলাদেশি সাইকেল ৮/ ১০ টা বিক্রি হয়।ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক মাহবুব আলম তালুকদার জানান, চোরাচালান রোধে ঝিনাইদহ প্রশাসন খুবই তৎপর। ঝিনাইদহের ৬টি উপজেলার মধ্যে মহেশপুর উপজেলাটির সঙ্গে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের রয়েছে বিরাট সীমান্ত। কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া আমরা কোনো অবস্থাতেই অবৈধ কোনো বিষয়কে ছাড় দিচ্ছি না।আহমেদ নাসিম আনসারী/এফএ/এমএস