কক্সবাজারে শনিবার সকাল থেকে ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর তীব্রতা বাড়তে শুরু করেছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বইছে দমকা হাওয়া। এছাড়া সকালে জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে ৩-৪ ফুট বেড়েছে বলে দাবি করছেন উপকূলের মানুষ। স্থানীয়রা জানান, শনিবার ভোর ৩টার দিকে দমকা বাতাস শুরু হলে প্রায় সব উপজেলার বিদ্যুত সংযোগ বিছিন্ন হয়ে যায়। পরে বাতাসের গতি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সকাল ১০টা থেকে জেলা শহরেও বিচ্ছিন্ন রয়েছে বিদ্যুৎ সংযোগ।ভিডিওতে দেখুন রোয়ানুর তীব্রতা: কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ একেএম নাজমুল হক জানান, কক্সবাজারে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত বহাল রয়েছে। ৫৫ থেকে ৭৫ কিমি বেগে বইছে দমকা হাওয়া। বিকেল নাগাদ রোয়ানু উপকূলে আঘাত হানতে পারে আশঙ্কা করে তিনি আরো বলেন, ঘূর্ণিঝড়টি বাতাসের বেগের সঙ্গে কক্সবাজার অতিক্রম করছে।উপকূলে তার কথারই সত্যতা মিলেছে। জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে উপকূলের নিম্নাঞ্চল। কক্সবাজার শহরের কুতুবদিয়াপাড়া, সমিতিপাড়া, নাজিরারটেক, কক্সবাজার সদরের উপকূলীয় চৌফলদন্ডী, পোকখালী, গোমাতলী, মহেশখালীর ধলঘাটা, মাতারবাড়ি ও কুতুবদিয়ার প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নে এবং টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপ ও সেন্টমার্টিনদ্বীপের নিম্ন এলাকা জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। সাইদ আলমগীর/এফএ/এবিএস