দেশজুড়ে

টেকনাফ পৌরসভার ভোটযুদ্ধ শুরু

টেকনাফ পৌরসভার কাঙ্ক্ষিত ভোটযুদ্ধ শুরু হয়েছে।। এ উপলক্ষে সোমবার মধ্যরাত থেকে সকল প্রকার প্রচারণা বন্ধ করা হয়েছে। অধিকাংশ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিয়ে আশঙ্কা করেছেন অনেকেই। টেকনাফ নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, পৌরসভায় মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন দুইজন। তিনটি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৮ জন নারী ও ৭টি সাধারণ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ৩১ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। এর মধ্যে দু’জন কাউন্সিলর প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।তারা হলেন- ৭ নম্বর ওয়ার্ডে সাংসদ আবদুর রহমান বদির ভাই মুজিবুর রহমান ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডে আবদুল্লাহ মনির।টেকনাফ পৌরসভায় মোট ভোটার রয়েছে ১৩ হাজার ৩১৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৬ হাজার ৯৫৬ জন ও নারী ৬ হাজার ৩৫৮ জন।টেকনাফ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল মজিদ জানান, পৌরসভার কিছু কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ। তবে ভোটারদের নিরাপত্তায় এক প্লাটুন বিজিবি, র্যাবের তিনটি দল, চারজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, প্রতিটি কেন্দ্রে ৮ জন পুলিশ ও ১৪ জন করে আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে।টেকনাফ উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শফিউল আলম জানান, ভোটাররা যাতে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পারে সে ব্যবস্থা গ্রহণ করা আছে। ভোটগ্রহণের দায়িত্বে নিয়োজিত ৯টি ওয়ার্ডে ৯টি কেন্দ্রের জন্য ১০ জন প্রিজাইডিং কর্মকর্তা, ৪১ জন সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা এবং ৮২ জন পোলিং কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এদিকে, সাংবাদিকরা অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনী সংবাদ সগ্রহের জন্য পর্যবেক্ষক কার্ড সংগ্রহ করতে গেলে আচরণবিধির দোহাই দিয়ে তাদের কার্ড দেননি জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও পৌর রিটার্নিং অফিসার মোজাম্মেল হোসেন।  সাংবাদিকরা দাবি করেছেন, উপজেলা নির্বাচনে স্থানীয় সাংবাদিকরা উপজেলার ভোটার হয়ে স্ব-স্ব এলাকায় নির্বাচন পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সম্প্রতি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও স্ব-স্ব ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণে দায়িত্ব পালন করেছেন। কিন্তু পৌরসভায় তাদের পর্যবেক্ষণ কার্ড দেয়া নিয়ে হঠাৎ আচরণবিধির দোহাই দেয়া হচ্ছে কেন তা বোধগম্য নয়। তবে একজন মেয়র প্রার্থীর প্রার্থিতা অবৈধ ঘোষণা নিয়ে নির্বাচন কর্মকর্তার অনৈতিকতার অভিযোগ উঠায় সাংবাদিকরা তার সমালোচনা করে সংবাদ প্রকাশ করেছেন। হয়তো এ কারণে সাংবাদিকদের উপর তিনি ক্ষিপ্ত থাকতে পারেন বলে দাবি করছেন স্থানীয় সাংবাদিক নেতার। এ ব্যাপারে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন অফিসার মোজাম্মেল হোসেন বলেন, স্থানীয় সাংবাদিক যারা পৌর এলাকার ভোটার তাদের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ রয়েছে। অনেকে প্রার্থী হওয়া আত্মীয়-স্বজনদের পক্ষাবলম্বন করতে পারেন বলে আশঙ্কার কথা জরিপে উঠে এসেছে। তাই স্থানীয় সাংবাদিকদের পর্যবেক্ষণ কার্ড দেয়া বন্ধ রাখা হয়েছে বলে উল্লখ করেন তিনি। সায়ীদ আলমগীর/এসএস/পিআর