গ্রীষ্মকাল। খাঁ খাঁ রোদ্দুরে যেন কাঠও ফেটে যায়। প্রাণিকূলই অস্থির হয়ে পড়ে তীব্র গরমে। শরীর ঘেমে দুর্বল এবং তৃষ্ণার্ত হওয়ায় দেখা দেয় পানি শুন্যতা ও কোষ্ঠকাঠিন্য। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তোরণ এবং একটু প্রশান্তি পেতে এক গ্লাস শরবত পান করে অনেকেই পানি শূন্যতা এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে শরীরকে শীতল করে। আর এ শরবত বিক্রি করেই সংসার চলছে হানিফসহ কয়েকজনের। শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরলে হাতে গোনা কয়েকজনকে দেখা যাবে ভ্যান গাড়ির উপরে কাঁচের বাক্স স্থাপন করে তার মধ্যে বিভিন্ন ধরনের উপাদান দিয়ে শরবত তৈরি করে বিক্রি করছেন। এ নিয়ে কথা হয় হানিফের সঙ্গে। হানিফ বলেন, ডিপ টিউবয়েলের পানি দিয়ে ফ্রিজে তৈরি বরফ, আখের গুড়, তোকমার দানা, ইছুপগুলের ভূষি, মাল্টা, আপেল, আঙ্গুর ও চেরি ফল দিয়ে শরবত তৈরি করা হয়। প্রতি গ্লাস শরবত বিক্রি করা হয় ১০ টাকায়। রোদের তাপ বেশি থাকলে বেচা-বিক্রি ১২শ থেকে ১৫ শ টাকা হয়।দিনে কোনো অনুষ্ঠান থাকলে বেচা-বিক্রি একটু বেশি হয়। তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকলে এক হাজার টাকা এবং আবহাওয়া ঠান্ডা থাকলে ৬/৭শ টাকা বিক্রি হয়। বেচা-বিক্রির পরে ৪/৫ শ টাকা লাভ হয়। এতেই সংসার খরচ কোনোমতে চলে যায়। ১০ বছর ধরেই এ ব্যবসা করছি বলেও জানান হানিফ। সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ডা. দিলসাদ হোসেন বলেন, বরফ তৈরি করা পানি নদী অথবা খালের না হয়ে যদি টিউবয়েলের হয় তাহলে স্বাস্থ্য ঝুঁকি নেই। এতে পানি শূন্যতা ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।এসএস/পিআর