শেরপুরে ভুল চিকিৎসার অভিযোগে গ্রেফতারকৃত চিকিৎসক ডা. শরীফুল ইসলামের মুক্তির দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মত চিকিৎসকদের ধর্মঘট অব্যাহত রয়েছে। বিএমএ শেরপুর জেলা শাখার ডাকা অনির্দিষ্টকালের এ ধর্মঘটের ফলে সকল প্রাইভেট প্র্যাকটিশনার এবং বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকে কোনো চিকিৎসক বসেননি। ধর্মঘটের কারণে চিকিৎসা না পেয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে রোগীরা। এদিকে, শনিবার দুপুরে জেলা হাসপাতালের কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলন করে অবিলম্বে গ্রেফতারকৃত চিকিৎসক ডা. শরিফুলের মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন বিএমএ নেতৃবৃন্দ। অন্যথায় আরো কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়।বিএমএ জেলা সভাপতি ডা. এম এ বারেক তোতা সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য প্রদান করেন। এসময় সিভিল সার্জন ডা. মো. আনোয়ার হোসেনসহ চিকিৎসক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।উল্লেখ্য, গত বছরের ১৫ নভেম্বর ভুল চিকিৎসায় শ্রীবরদী উপজেলার কাকিলাকুড়া ইউনিয়নের ভুতনীপাড়া গ্রামের এক গৃহবধূর স্তন কেটে ফেলার অভিযোগে ডা. শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেন ওই গৃহবধূর স্বামী। ওই মামলার প্রেক্ষিতে পুলিশ গত ২০ মে শুক্রবার শহরের নারায়ণপুর এলাকার একটি ডায়গনস্টিক সেন্টার থেকে ডা. শরীফুল ইসলামকে গ্রেফতার করে। ডা. শরীফুল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের একজন পরামর্শক সার্জন। বর্তমানে তিনি জেলা কারাগারে আটক রয়েছেন।হাকিম বাবুল/এফএ/এমএস