দেশজুড়ে

বাগেরহাটে হত্যা মামলায় একজনের ফাঁসি

বাগেরহাটে তরুণীকে হত্যার দায়ে মো. আজাদ খান (৪০) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।সোমবার দুপুরে বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রেজাউল করিম এ দণ্ডাদেশ দেন।  দণ্ডপ্রাপ্ত মো. আজাদ খান বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার খলিশাখালী গ্রামের দলিল খানের ছেলে।মামলার বিবরণে জানা যায়, কচুয়ার গাবরখালী এলাকার হোসেন আলীর মেয়ে আয়না খাতুনকে (১৮) বিয়ের প্রলোভন দিয়ে পার্শ্ববর্তী খলিশাখালী গ্রামের দলিল খানের ছেলে আজাদ খান তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করে। একপর্যায়ে আয়না খাতুন অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় কিশোরী আয়না বিয়ের জন্য আজাদকে চাপ দিতে থাকে। আজাদ খান ওই কিশোরীকে ২০১২ সালের ২১ ফেরুয়ারি কৌশলে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কচুয়ার চাড়াখালী এলাকার বাবুল শেখের বাড়ির বাগানে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পালিয়ে যায়। পরের দিন স্থানীয়রা ওই কিশোরীর মরদেহ বাগানের পাশে একটি ডোবায় ভাসতে দেখে পুলিশকে জানায়। এ ঘটনায় ২২ ফেব্রুয়ারি কচুয়া থানার এএসআই মিয়ারত হোসেন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ এ ঘটনার মূল অসামি আজাদ খানকে আটক করে। আলোচিত এ হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকতা ২০১৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি আসামি আজাদ খানকে অভিযুক্ত করে আদালতে চাজর্শিট প্রদান করেন। মামলা চলাকালে আদালতের বিচারক দুইজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে সোমবার আদালত আজাদ খানকে ফাসির আদেশ দেন।শওকত আলী বাবু/এআরএ/এবিএস