পাবনায় শ্রীশ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্র সৎসঙ্গ আশ্রমের সেবক নিত্যরঞ্জন পান্ডে (৬২) হত্যা মামলায় আটক শিবির নেতা আরিফুল ইসলামকে ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পাবনা থানা পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুরে আরিফুলকে পাবনার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করে ১০ দিনের রিমান্ড চাইলে আদালত ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পাবনা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মুন্সী আব্দুল কুদ্দুস সত্যতা স্বীকার করে জানান, শনিবার রাতে পাবনা সদর উপজেলার বাজিতপুরঘাট এলাকা থেকে ইসলামী ছাত্রশিবিরের পাবনা পৌর (পশ্চিম) সেক্রেটারি আরিফুলকে আটক করা হয়। মঙ্গলবার তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়। পরে পুলিশ দুপুর ২টার দিকে পাবনার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করে ১০ দিনের রিমান্ড চায়। বিচারক নাজিম উদ্দৌলা আসামির ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে সোমবার ভোরে নিত্যরঞ্জন হত্যা মামলার আরেক সন্দেহভাজন আবুল হাশেম ওরফে গাল কাটা হাশেমকে (৪৩) হেমায়েতপুর নিজ বাড়ি থেকে আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে পাবনাসহ বিভিন্ন থানায় ৩০টির মতো মামলা রয়েছে। তদন্তকারী কর্মকর্তা আরো জানান, নিত্যরঞ্জন হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সে জড়িত কিনা তা নিশ্চিত হতেই জিজ্ঞাসাবাদ দরকার। উল্লেখ্য, শুক্রবার ভোর সোয়া ৫ থেকে সাড়ে ৫টার দিকে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা পাবনার হেমায়েতপুরের শ্রীশ্রী ঠাকুর অনুকূল আশ্রমের সেবক নিত্যরঞ্জনকে পাবনা মানসিক হাসপাতালের প্রধান ফটকে কুপিয়ে হত্যা করে। নিহত নিত্যরঞ্জন গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার আরুয়া কংশুর গ্রামের প্রয়াত রসিকলাল পান্ডের ছেলে। তিনি ৩৬/৩৭ বছর ধরে পাবনার ঠাকুর অনুকূল চন্দ্র আশ্রমে সেবক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। একে জামান/এসএস/এমএস