জাতীয়

বাড়ছে ভোটকেন্দ্র কমছে কক্ষ, খসড়া প্রকাশ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাড়ে ১২ কোটি ভোটারের জন্য ৪২ হাজার ভোটকেন্দ্রের খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে এসব ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ হয়েছে।

বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ দপ্তরের সামনে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

জানা গেছে, খসড়া ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশের পর ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দাবি-আপত্তি দেওয়ার সুযোগ রয়েছে, ১২ অক্টোবরের মধ্যে তা নিষ্পত্তি এবং ২০ অক্টোবর সম্ভাব্য ভোটকেন্দ্র চূড়ান্ত হবে।

তফসিল হলে ভোটের তারিখের অন্তত ২৫ দিন আগে আসনভিত্তিক ভোটকেন্দ্রের তালিকা (কেন্দ্রের নাম, ভোটার, ভোটকক্ষ সংখ্যা) গেজেট আকারে প্রকাশ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে ইসির।

আরও পড়ুন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র ৪২ হাজার ৬১৮টি জাতীয় নির্বাচনে সিসি ক্যামেরা ও বডি ক্যামে সায় নেই ইসির

ভোটার বাড়লেও ব্যবস্থাপনার সুবিধার্থে বর্তমান নির্বাচন কমিশন ভোটকেন্দ্র কমানোর পাশাপাশি ভোটকক্ষ কমানোর পরিকলল্পনা নিয়েছে। এক্ষেত্রে দুই বছর আগের দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের তুলনায় ভোটকেন্দ্র বেড়েছে মাত্র ৪৬৮টি আর ভোটকক্ষ কমেছে ১৭ হাজার ৪২৬টির মতো।

বর্তমানে ১২ কোটি ৬৩ লাখেরও বেশি ভোটার রয়েছে।

নির্বাচন ভবনে ব্রিফিংয়ে ইসি সচিব জানান, খসড়া তালিকা অনুযায়ী সম্ভাব্য ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৪২ হাজার ৬১৮টি। এরমধ্যে ভোটকক্ষ থাকবে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৪৬টি। ভোটকক্ষের মধ্যে পুরুষের জন্য ১ লাখ ১৪ হাজার ৯৩৯টি আর নারীদের ১ লাখ ২৯ হাজার ১০৭টি।

গড়ে তিন হাজার ভোটারের জন্য একটি ভোটকেন্দ্রের বিধান বহাল রাখা হলেও নতুন নীতিমালায় পুরুষ ও নারী ভোটকক্ষের ক্ষেত্রে সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। সংশোধিত নীতিমালার অনুযায়ী এবার ৬০০ জন পুরুষ ভোটার এবং ৫০০ জন নারী ভোটারের জন্য একটি করে ভোটকক্ষ নির্ধারণ করতে হবে।

আগে তিন হাজার ভোটারের জন্য একটি কেন্দ্রে ৫০০ জন পুরুষ ভোটার ও ৪০০ জন নারী ভোটারের জন্য একটি করে কক্ষ নির্ধারণের বিধান ছিল। সবশষ দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের সময় ১১ কোটি ৯১ লাখ ভোটারের বিপরীতে ভোটকেন্দ্র ছিল ৪২ হাজার ১৫০টি; সেখানে ভোটকক্ষ ছিল ২ লাখ ৬১ হাজার ৪৭২টি।

এমওএস/এমএএইচ/জিকেএস