মাদারীপুরের কলেজশিক্ষক রিপন চক্রবর্তীর উপর হামলার ঘটনায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ফাহিমের মরদেহ গোপনে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে মাদারীপুর সদর হাসপাতাল থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের সমাদ্দার এলাকায় তার বাবা গোলাম ফারুকের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।এর আগে বিকেল ৪টার দিকে সদর থানায় আসেন নিহত ফাহিমের বাবা ও মা। এসময় ফাহিমের পরিবারের কোনো সদস্যকে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলতে দেয়নি পুলিশ। ফাহিমের মরদেহ কোথায় দাফন করা হবে এ বিষয়ে পরিবারের কাছ থেকে নির্ভরযোগ্য কোনো তথ্যও পাওয়া যায়নি।
সকালে সদর উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের মিয়ারচর গ্রামে হত্যাচেষ্টা মামলায় রিমান্ডে থাকা গোলাম ফয়জুল্লাহ ফাহিম (১৯) পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়। এরপর দুপুরে সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার শশাঙ্কা ঘোষসহ তিন সদস্যের বিশেষ টিম ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করেন।
উল্লেখ্য, মাদারীপুরের সরকারি নাজিমউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের গণিত বিভাগের প্রভাষক রিপন চক্রবর্তী কলেজগেট সংলগ্ন ভাড়া বাসার একটি ছোট কক্ষে একা থাকতেন।গত বুধবার দুপুরে কলেজ থেকে ফিরে বাসায় ঢোকার সময় বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তিন যুবক তাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে আহত করে দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। শিক্ষকের চিৎকারে কলেজগেট এলাকার লোকজন ফাহিমকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।এআরএ/এবিএস