ক্যাম্পাস

ইকসুর রোডম্যাপসহ ১৫ দফা দাবিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (ইকসু) গঠনের পূর্ণাঙ্গ রোডম্যাপ ও সাজিদ হত্যার বিচারসহ ১৫ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় সংস্কার আন্দোলন।

শনিবার (১৮ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবন চত্বরে এ কর্মসূচি করেন তারা।

এসময় শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দায়িত্ব নেওয়ার এক বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো কোনো মৌলিক সংস্কার হয়নি। আমাদের উপস্থাপিত ১৫ দফা দাবি বাস্তবায়নে প্রশাসনের কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। তারা জানান, ক্যাম্পাসে নিরাপত্তাহীনতা বিরাজ করছে, সাজিদ হত্যাকাণ্ডের বিচারও এখনো সম্পন্ন হয়নি। বহিরাগতদের প্রবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলেও শিক্ষার্থীদের আইডি কার্ড বিতরণ করা হয়নি।

শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, মেডিক্যাল সেন্টারে সেবা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে, ফিটনেসবিহীন বাসে চলছে পরিবহন সেবা। এখনো বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ফি পুরোনো অ্যানালগ পদ্ধতিতে আদায় করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে, সেখানে কোনো হালনাগাদ তথ্য নেই। প্রশাসনের ভেতরে সমন্বয়ের অভাব স্পষ্ট, একেকজন একেকভাবে কথা বলছেন। এসময় শিক্ষার্থীরা সতর্ক করে বলেন, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে শিক্ষার্থীরা কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে।

সংগঠনটির সদস্য রাহাত আব্দুল্লাহ বলেন, আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এক বছরের কাজের উপরে একটি জরিপ করেছি। কিন্তু প্রশাসন সেখানে ফেইল করেছে। শিক্ষার্থীরা তাদের ওপরে আস্থা রাখতে পারেনি। আমরা কয়েকমাস আগেই প্রশাসনকে কিছু যৌক্তিক দাবি দিয়েছি। কিন্তু তা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। সকল দাবি বাস্তবায়ন করে আমরা একটি আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয় দেখতে চাই।

অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী ও সংগঠনটির সদস্য খন্দকার আবু সায়েম বলেন, ইবিতে আন্দোলন ছাড়া কোনো দাবি বাস্তবায়ন হচ্ছে না। প্রশাসন ১৫ অক্টোবরের মধ্যে ইকসুর গঠনতন্ত্র দেওয়ার কথা বললেও এখনো তা দিতে পারেনি। আমরা অনেক আগেই ১৫ দফা দিয়েছি কিন্তু তার একটি দাবিও বাস্তবায়ন হয়নি। আমরা চাই প্রশাসন আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে ইকসু গঠনে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেবে। কোনো তালবাহানা দেখতে চাই না।

ইরফান উল্লাহ/কেএইচকে/জেআইএম