সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের শেকড় উপড়ে ফেলে মানবিক চেতনার অনন্য এক বাংলাদেশ গড়াই এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য বলে মন্তব্য করেছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক।বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক শুভেচ্ছা বাণীতে উপাচার্য এ মন্তব্য করেন। এ বছর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রতিপাদ্য হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে ‘সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ ও মানবিক চেতনা বিকাশে উচ্চশিক্ষা।’শুভেচ্ছা বাণীতে উপাচার্য বলেন, “এক শতকের অনন্য এক মাইলফলক ছোঁয়ার অভিযাত্রায় ৯৫তম বছরে পা রাখলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটে এর গুরুত্ব অপরিসীম। কুসংস্কার থেকে জাতিকে মুক্ত করা, দেশের নাগরিকদের আধুনিক জীবনাদর্শে উজ্জীবিত করা, তাঁদেরকে বিজ্ঞানমনস্ক ও প্রগতিবান্ধব করে তোলার ক্ষেত্রে এ বিশ্ববিদ্যালয় সবসময় পথিকৃতের ভূমিকা পালন করেছে। আমাদের সকল আন্দোলন ও সংগ্রামের সূতিকাগারও এ বিশ্ববিদ্যালয়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় প্রদীপ্ত বাংলাদেশের সকল শ্রেষ্ঠ অর্জনের সাথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পর্ক অতি সুগভীর।”তিনি আরো বলেন, “জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের বাংলাদেশ একবিংশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে রূপকল্প ২০২১ ও ২০৪১ বিনির্মাণের পথে বিষকাঁটাস্বরূপ লুকিয়ে থাকা সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের শেকড় উপড়ে ফেলে মানবিক চেতনার অনন্য এক বাংলাদেশ গড়াই এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। তাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ‘সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ ও মানবিক চেতনা বিকাশে উচ্চশিক্ষা।’ মেধাবী প্রজন্ম তাদের মেধা, সৃষ্টিশীলতা আর মানবিক-নৈতিক মূল্যবোধ ও চেতনায় ভবিষ্যৎ বাংলাদেশকে আরো উর্বর ও ঐশ্বর্যান্বিত করে তুলবে বলে আমার বিশ্বাস।”উপাচার্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ২০১৬ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সকলকে ও দেশবাসীকে জানিয়েছেন আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। একইসঙ্গে এ উপলক্ষে আয়োজিত দিনব্যাপি অনুষ্ঠানমালায় সকলকে সাদরে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।এমএইচ/বিএ