ফরিদগঞ্জ উপজেলায় ছয় জঙ্গি রয়েছে। গুলশানের ঘটনাসহ দেশে সাম্প্রতিক টার্গেট কিলিংয়ের ঘটনা নিয়ে সোমবার দুপুরে ফরিদগঞ্জে ইমাম, আলেম, খতিব, পুরোহিত, সেবায়েতসহ সকল পেশাজীবী লোকজন নিয়ে বিশেষ আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক সভায় পুলিশের পক্ষ থেকে এই ঘোষণা দেয়া হয়। সভায় ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশের ওসি আবুল কালাম প্রথমে এই ঘোষণা দেয়ার পর এএসপি হেডকোর্য়ার্টার শাকিল তা নিশ্চিত করেন। এসময় তিনি বলেন, গত ৬ মাস ধরে পুরো জেলার জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা বিষয়ক তথ্য-উপাত্ত নিয়ে কাজ করার পর তিনি তা নিশ্চিত হন। তিনি জানান, সাতজন জঙ্গি থাকলেও এদের মধ্যে একজন আটক হয়েছে। বাকিরা কোথায় ও তাদের ছবি এবং নাম-ঠিকানা জানাতে ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবের সম্পাদক নুরুন্নবী নোমান প্রস্তাব দিলেও এএসপি হেডকোর্য়ার্টার শাকিল কৌশলগত কারণে তা প্রকাশ করেননি।উল্লেখ্য, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জয়নাল আবদিনের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভূঁইয়া। এছাড়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবু সাহেদ সরকার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল খায়ের পাটওয়ারী, ভাইস চেয়ারম্যান ওয়াহিদুর রহমান রানা, পৌর মেয়র মাহফুজুল হক, ফরিদগঞ্জ মজিদিয়া কামিল মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ এইচএম আনোয়ার মোল্লা, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি ডা. পরেশ চন্দ্র পাল, পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি হিতেশ চন্দ্র শর্মা, এএসপি হেডকোর্য়ার্টার শাকিল হোসেন তাদের বক্তব্যে জঙ্গি দমনে সামাজিক সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। এমএএস/পিআর