ঈদের লম্বা ছুটি শেষে কর্মস্থল ঢাকায় ছুটছেন দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার হাজার হাজার মানুষ। যাত্রীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পদ্মা পারাপার হচ্ছেন। সোমবার সকাল থেকে ঢাকামুখী যাত্রীদের স্রোত দেখা যায় মাদারীপুরের কাওড়াকান্দি ঘাটে। লঞ্চ ও স্পিডবোটে ধারণ ক্ষমতার চাইতে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করতে দেখা গেছে। স্পিটবোটের আগের ভাড়া ছিল ১৫০টাকা। ঈদের পর থেকেই সেখানে রাজধানীমুখী যাত্রীদের কাছ থেকে নেয়া হচ্ছে ২০০ টাকা। জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন ও বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তাদের উপস্থিতি থাকলেও এমন চিত্র তাদের চোখে পড়ছে না। অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই ও ভাড়া আদায় সম্পর্কে জানতে চাইলে স্পিডবোট মালিক সমিতি ও কাউন্টারের কেউ মুখ খুলতে চাননি। এদিকে, বাড়তি যানবাহনের চাপে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন জেলা থেকে আসা যাত্রীদের শিবচরের বাইপাস সড়কে নেমে আজও দুই কিলোমিটার হেঁটে কাওড়াকান্দি ঘাটে পৌঁছাতে দেখা গেছে।বিআইডব্লিউটিসির কাওড়াকান্দি ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক সালাম হোসেন জানান, ‘কাওড়াকান্দি-শিমুলিয়া নৌরুটে ৮৫টি লঞ্চ, ১৭টি ফেরি ও দেড় শতাধিক স্পিডবোট চলাচল করছে। যাত্রীদের সুবিধার্থে আজও বন্ধ রয়েছে পণ্যবাহী ট্রাক পারাপার।’ এ কে এম নাসিরুল হক/এআরএ/এবিএস