দেশজুড়ে

মৌলভীবাজারে তিন শিক্ষার্থী নিখোঁজ

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া পৌর-শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে সোমবার তিন শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়েছে। এ ব্যাপারে তাদের স্বজনেরা কুলাউড়া থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ওই শিক্ষার্থীদের কারো খোঁজ মেলেনি।নিখোঁজ শিক্ষার্থীরা হলো কুলাউড়া সদর ইউনিয়নের কুলাউড়া গ্রামের বাসিন্দা পপি চন্দ (১৩), আয়শা আক্তার রিয়া (১৩) এবং কুলাউড়া পৌর শহরের আহমদাবাদ এলাকার রানা ঢালি (১৩)। পপি ও আয়শা কুলাউড়া পৌর শহরে অবস্থিত রাবেয়া আদর্শ বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণি ও রানা নবীন চন্দ্র উচ্চবিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে।পুলিশ ও পরিবার জানায়, পপি ও আয়শা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দুপুরের দিকে বাসা থেকে বিদ্যালয়ের উদ্দেশ্যে বের হয়। পরে আর তারা পরীক্ষায় অংশ নেয়নি। বাড়িও ফেরেনি। অন্যদিকে রানা বিকেল ৪টার দিকে খেলাধুলা করতে বাসা থেকে বের হয়। কিন্তু পরে সে আর ফেরেনি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও স্বজনেরা তিন শিক্ষার্থীর সন্ধান পাননি। পপি ও আয়শার অভিভাবকেরা সোমবার রাতে এবং রানার স্বজনেরা মঙ্গলবার সকালে জিডি করেন।রানার বাবা ছেলেকে শাসনের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এ কারণে রানা পালিয়ে যাবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন না।পপির বাবা ক্ষিতীশ চন্দ ও আয়শার মা কমলা বেগম বলেন, তারা সন্তানদের কোনো কারণে বকাঝকা করেননি। তারা সন্তানদের সন্ধানে প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা চান।রাবেয়া আদর্শ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুস সালাম বলেন, পপি ও আয়শাকে তাদের সহপাঠীরা পরীক্ষা শুরুর আগে বিদ্যালয়ের সামনের সড়কে হাঁটাহাঁটি করতে দেখেছে। কিন্তু পরে তারা পরীক্ষায় অংশ নেয়নি। এ ব্যাপারে সহপাঠীদের কাউকে কিছু তারা বলেনি।এ ব্যাপারে কুলাউড়া থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন বলেন, এলাকার বাজে ছেলেদের সঙ্গ এড়িয়ে চলতে রানাকে তার বাবা শাসন করেছিলেন। এ কারণে সে অভিমানে পালিয়ে যেতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। আর পপি ও আয়শার বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এখনো তিন শিক্ষার্থীর কোনো খোঁজ মেলেনি।এআরএ/এবিএস