শিক্ষা

ঢাবিতে দফায় দফায় ককটেল বিস্ফোরণ : আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা

৫ জানুয়ারি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অনিদির্ষ্টকালের অবরোধ ঘোষণার পর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাস ও তার আশে পাশের এলাকায় একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটছে।  তবে কে বা কারা এই ঘটনা ঘটাচ্ছে তা সনাক্ত করতে পারছে না বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশ।সর্বশেষ টিএসসি সংলগ্ন শামসুন্নাহার হলের সামনে দুটি ককেটল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাত সাড়ে ৮টায় ককটেল দুটির বিস্ফোরণর ঘটে। এসময় কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।এর আগে ৫ জানুয়ারি রাত থেকে শুরু হয়ে বুধবার রাত ৮টা ৪০মিনিটে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত থেমে থেমে ঢাবি ক্যাম্পাসে ও তার আশে পাশের এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেই যাচ্ছে। প্রশাসন হাতে নাতে কাউকে ধরতে না পারলেও ছাত্রলীগ সন্দেহভাজন কয়েকজন ছাত্রদল কর্মীকে ব্যাপক মারধর করে শাহবাগ থানায় সৌপর্দ করেছে।সর্বশেষ গতকাল মঙ্গলবার ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম ছাত্রদলের ঢাবি শাখার পদ প্রত্যাশী এক নেতাকে আজিজ সুপার মার্কেটের সামনে মেরে রক্তাত্ব করে শাহবাগ থানায় পাঠিয়ে দেয়। এছাড়া ক্যাম্পাসের বিভিন্ন হলে ছাত্রদল সন্দেহে কয়েকজন ছাত্রকে মারধর করেছে ছাত্রলীগ।  হঠাৎ করে পরিস্থিতি এরকম হওয়ায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। ৫ জানুয়ারি কর্মসূচি ঘোষণার পর এরকম পরিস্থিতি দেখে অনেক শিক্ষার্থীকে তার গ্রামের বাড়িতে চলে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. এম আমজাদ আলী জাগোনিউজকে বলেন, অবরোধের সর্মথনকারীরা ক্যাম্পাসে আতঙ্ক সৃষ্টির লক্ষে এসব কাজ করছে। যারাই এসব কাজ করছে তাদের আটক করার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।ছাত্রলীগ ঢাবি শাখা সভাপতি মেহেদী হাসান মোল্লার দাবি, বিএনপি-জামায়াত চক্র শান্তিপূর্ণ ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে গুপ্তভাবে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটাচ্ছে। তাদের প্রতিহত করতে ছাত্রলীগ ক্যাম্পাসে সজাগ থাকবে বলেও জানান তিনি।তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা বলেন, বিএনপি সহিংসতায় বিশ্বাস করে না। ক্যাম্পাসে রাজনীতি করা তাদের অধিকার। ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের কোন কর্মীকে দেখলেই ককটেল নিক্ষেপের জন্য এসেছে এরকম সন্দেহ করাটা বড় ধরনের ভুল বলেও মন্তব্য করেন তারা।