বিশ্ব ইজতেমায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত মুসুল্লি এবং দেশের ধর্মপ্রাণ মুসুল্লিদের নিরাপত্তায় ও সম্ভাব্য সব ধরণের হুমকী মোকাবেলায় র্যাবের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন র্যাবের নবনিযুক্ত মহাপরিচালক (ডিজি) বেনজীর আহমেদ। টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমার নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে এ তথ্য জানান বেনজীর আহমেদ।তিনি বলেন, "নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সব ধরণের চ্যালেঞ্জ বিশ্লেষণ করা হয়েছে। পুরো ইজতেমা ময়দান ও এর আশেপাশে র্যাব সদস্যরা তৎপর থাকবে। পোশাকের সাথে সাদা পোশাকের র্যাব সদস্য থাকবেন। মুসল্লি সেজে ছদ্মবেশী র্যাব সদস্যরা নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবেন।’তিনি বলেন, ‘ইজতেমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষনিক টহলের পাশাপাশি নদীতেও টহল টিম মোতায়েন থাকবে। ইজতেমা ময়দান হেলিকপ্টার দিয়ে র্যাব সার্বক্ষণিক মনিটরিং করবে।’বিশ্ব ইজতেমায় শুধু নিরাপত্তায়ই নয় মুসুল্লিদের যে কোন প্রয়োজনে র্যাব সদস্যরা তৎপর থাকবে উল্লেখ করে মহাপরিচালক বলেন, র্যাব সদস্যরা অসুস্থ্য মুসুল্লিদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করবে। যদি কোন মুসুল্লি অসুস্থ্য হয়ে পড়েন তাকে এ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে পৌছানোর ব্যবস্থাও থাকছে।অবরোধের কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে আটকে পড়া পণ্যবাহী ট্রাকের যাতায়াত সুবিধার্থে র্যাবের পক্ষ থেকে কোন ব্যবস্থা নেয়া হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের জানান, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ র্যাবের সহায়তা চাইলে র্যাব সহায়তা দিতে প্রস্তুত।দেশে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড চলছে এবং নিরীহ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ শান্তিপ্রিয়। কোন ধর্মই ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড সমর্থন করে না।’তিনি আরও বলেন, ‘অধর্মের জয় হবে ধর্ম দিয়েই।’উল্লেখ্য, টঙ্গীর তুরাগ তীরে বিশ্ব ইজতেমা মাঠে শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব। ইতোমধ্যেই দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মুসল্লিরা আসতে শুরু করেছেন। অবস্থান নিচ্ছেন মুসল্লিরা নির্দিষ্ট জায়গায়। আসতে শুরু করেছেন বিদেশী মুসল্লিরাও।