জাতীয়

রাজধানীতে বাসে আগুন, ককটেল বিস্ফোরণ : জনমনে আতঙ্ক

রাজধানীতে মঙ্গলবার রাতে বনানী, ধানমণ্ডি ও মালিবাগে ৩টি যাত্রীবাহী বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। অপরদিকে গুলশানের ওয়েস্টিন, বেইলী রোড, মহাখালী ফ্লাইওভার ব্রিজে ও বাংলামোটরে অন্তত ১৪টি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় সন্ধ্যার পর থেকে রাজধানীতে জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।বনানীতে বাসে আগুনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিসের দায়িত্বরত কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দিন। তিনি জানান, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বনানীর কামাল আতাতুর্ক এভিনিউয়ে রবরব পরিবহন নামে একটি বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে।অন্যদিকে মালিবাগে মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে পুলিশের সঙ্গে অবরোধকারীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসময় অবরোধকারীরা অনাবিল ও তুরাগ পরিবহনের যাত্রীবাহী ২টি বাসে আগুন লাগিয়ে দেয়।এসময় মালিবাগ সড়ক আধাঘণ্টা যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে। রামপুরা থানার এসআই মুস্তাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।এদিকে গুলশানের ওয়েস্টিন হোটেলের সামনে সাড়ে ৮টার দিকে ছয়টি ককটেল, বেইলী রোড এলাকার হক বেকারির সামনে সন্ধ্যা ৭টার দিকে তিনটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় দুর্বৃত্তরা।বাংলামোটর মোড় এলাকায় পৌনে ৮টার দিকে তিনটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় দুর্বৃত্তরা। রমনা থানার উপ-পরিদর্শক মনজুরুল আলম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে। নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।সন্ধ্যা ৭টার পর ধানমন্ডি ৭ নম্বরে একটি বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিস থেকে দুটি ইউনিট পাঠানো হলে তারা ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে স্থানীয়রা। এসময় ওই এলাকার লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে সবাই ছোটাছুটি শুরু করে।গুলশানে রাত আটটার দিকে ৫টি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাটি প্রত্যক্ষদর্শী মাহমুদুল হাসান নিশ্চিত করেন।অপরদিকে রাত সাড়ে আটটার দিকে রাজধানীর মহাখালী ফ্লাইওভার ব্রিজের উপর ২টি ককটেল বিস্ফোরণ হয়। এসময় সেখানে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।জেইউ/এএ