শেরপুরে ঝিনাইগাতীর স্কুলছাত্র বিল্লাল হোসেন (১৬) হত্যা মামলার বাবা ও তিন সহোদরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার বিকেলে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ মোছলেহ উদ্দিন এ রায় দেন।সাজাপ্রাপ্তরা হলো, ঝিনাইগাতী উপজেলার কোনাগাঁও এলাকার মো. আবু জাফর ওরফে সুরুজ তার ছেলে মো. আল আমিন, মো. মনিরুজ্জামান ওরফে হান্নান ওরফে মেন্দা এবং মো. দুদু মিয়া। সাজাপ্রাপ্তরা সবাই পলাতক রয়েছেন। এ মামলার রায়ে অপর ৫ আসামিকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে। আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালের ৩ মে রাতে সাজাপ্রাপ্তরা প্রতিবেশী নূর ইসলামের স্কুলপড়ুয়া ছেলে বিল্লাল হোসেনকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে মরদেহ গুম করে। নিখোঁজের ৫ দিন পর আরেক প্রতিবেশী রব্বানী মিয়ার বসতবাড়ির উত্তর পাশের স্যানিটারি ল্যাট্রিনের ভেতর থেকে শিশু বিল্লালের মরদেহ উদ্ধার হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা নূর ইসলাম বাদী হয়ে ১০ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ ওই বছরের ৩১ আগস্ট ১০ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। বিচার চলাকালে এক আসামির মৃত্যু হলে তার নাম মামলা থেকে বাদ দেয়া হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় ১৯ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে সোমবার বিকেলে আদালত পলাতক চারজনকে মৃত্যুদণ্ড ও অপর পাঁচ জনকে খালাস প্রদান করে রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পিপি অ্যাড. ইমাম হোসেন ঠান্ডুু জানান, দীর্ঘদিন মামলাটি বিচারাধীন থাকার পর রায় ঘোষণা করা হলো। রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাড. মো. দোলোয়ার হোসেন জানান, এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে। হাকিম বাবুল/এআরএ/এবিএস