বাংলাদেশের বিখ্যাত ভাসমান পেয়ারার হাট দক্ষিণের জেলা ঝালকাঠিতে। সদর উপজেলার উত্তর দিকে অবস্থিত ভীমরুলী গ্রাম। যেখানে প্রতি মৌসুমে কোটি কোটি টাকার পেয়ারা বিক্রি হয়। সেখানে যাতায়াতের ব্যবস্থা আগে অনুন্নত থাকলেও তিনটি পথ দিয়ে অনায়াসেই যাতায়াত করা যায়। সড়ক পথে কলেজ মোড় থেকে অটোবাইকে কির্ত্তীপাশা হয়ে ভীমরুলী এবং কলেজ মোড় থেকে টেম্পু যোগে নবগ্রাম ও হিমানন্দকাঠি হয়ে ভীমরুলীর ভাসমান হাট। যে পথ দিয়ে যাতায়াত করেন ভাড়া ৩৫ টাকা। ভীমরুলী বাজারে গিয়ে দেখা যায়, ব্রিজের উপরে বাঁশের সঙ্গে দেয়াল ঘড়ি সাঁটানো। জানতে চাইলে স্থানীয়রা জানায়, টেম্পু চলাচলের জন্য দেয়াল ঘড়ি রাখা হয়েছে। ওই ঘড়ির সময় দেখে এখান থেকে ঝালকাঠির উদ্দেশ্যে টেম্পু ছাড়ে। টেম্পু স্টাফদের ব্যবহৃত ঘড়িতে সবার সময় এক হয় না। কারোরটার সময় ঠিক, কারোরটার সময় ২/১ মিনিট কম অথবা বেশি। আর এ নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই বাগবিতণ্ডা হয়। এরপরই দেয়াল ঘড়ি টানানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। টেম্পু চালক রাজিব মুন্সি জানান, পেয়ারার মৌসুম আষাঢ়, শ্রাবণ ও ভাদ্র মাসে ক্রেতা ও দর্শনার্থীরা আসে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে। যথা সময়ে টেম্পু ছাড়া নিয়ে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব হওয়ায় সবার মতামত নিয়ে দেয়াল ঘড়ি টানানো হয়েছে। তাদের চলাচলের জন্য ঘড়ি দেখে প্রতি ১০ মিনিট পর পর টেম্পু ছাড়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টেম্পু ছেড়ে দিতে হয়। এক মিনিট দেরি হলে চালকের ১০০ টাকা জরিমানা। বেশি দেরি হলে তার ওই সময়ের ট্রিপ (যাত্রীবহন) বাতিল করা হয়। এটা সবার জন্যই সমান, কারো জন্য বেশি কম নয়। আতিকুর রহমান/এআরএ/এমএস