কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া হামলায় আটকের এক মাস পর ক্রসফায়ারে নিহত জঙ্গি আবু মোকাদ্দেল ওরফে শরিফুল ইসলাম ওরফে সোহানের জানাজা ও দাফন কার্য দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে নানার বাড়ি বৈদর গ্রামে সম্পন্ন হয়েছে।শনিবার রাত সাড়ে ১২টায় জানাজা শেষে ১২টা ৩৫ মিনিটে তাকে দাফন করা হয়।এর আগে শনিবার রাত সাড়ে ১১টায় কড়া পাহারার মধ্য দিয়ে ময়মনসিংহ থেকে নার্গিস বেগম শিউলী ছেলে সোহানের মরদেহ নিয়ে নানা মন্টু মিয়ার বাড়ি বৈদর গ্রামে পৌঁছান। জানাজা ও দাফন কার্যে প্রায় দুই শতাধিক লোক সমবেত হয় বলে জানা গেছে। জানাজা পড়ান প্রতিবেশী সম্পর্কে নানা শাহারুল ইসলাম।সোহানের বাড়ি দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার রানীগঞ্জ বাজারের পাশে দক্ষিণ দেবীপুর গ্রামে। তার বাবার নাম আব্দুল হাই প্রধান। পেশায় তিনি রেডিও-টিভির ইলেট্রিক মিস্ত্রি। জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে আব্দুল হাই প্রধানের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। গত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময়ে বিভিন্ন হামলার ঘটনায় করা মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি হওয়ায় কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া হামলার পর তাকে গ্রেফতার করা হয়।সোহানের মূল বাড়ি ঘোড়াঘাট উপজেলার ৩নং সিংড়া ইউনিয়নের মারুপাড়া গ্রামে। রানীগঞ্জ বাজারের পার্শ্ববর্তী দক্ষিণ দেবপুর এলাকায় তারা পাঁচ বছর ধরে বসবাস করছেন। দাখিল পাস করার পর থেকেই বাড়ি ছেড়ে নিরুদ্দেশ ছিলো সোহান। সে বিরামপুর উপজেলার বিজুল দারুল হুদা কামিল মাদরাসায় পড়ত। গত আড়াই বছর ধরে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিলো না।উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার রাতে ময়মনসিংহ হাসপাতাল থেকে কিশোরগঞ্জ থানায় নেয়ার পথে সোহানকে ছিনতাই করার সময় জঙ্গিদের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে সোহানসহ দুই জন নিহত হন।ঘোড়াঘাট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুজ্জামান সোহানের জানাজা ও দাফনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এমদাদুল হক মিলন/এফএ/এবিএস