দেশজুড়ে

টেকনাফ অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনে জার্মান প্রতিনিধিদল

কক্সবাজারের টেকনাফের অর্থনৈতিক অঞ্চল জালিয়ার দ্বীপ পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল (বেজা) পরামর্শক প্রতিনিধিদল। সোমবার বিকেল ৪টার দিকে টেকনাফ স্থলবন্দর অভিবাসন কেন্দ্রের জেটি দিয়ে কোস্টগার্ডের স্পিডবোটযোগে পরামর্শক দলটি জালিয়ার দ্বীপের চতুর্থদিক ঘুরে দেখেন।জার্মান থেকে আগত বেজার পরামর্শক প্রতিনিধিরা হলেন মিসেস থার্টিনা এগার্ট ও নরবাট জিমমার্রর্ট। এসময় তাদের সঙ্গে ছিলেন টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শফিউল আলম।জানা গেছে, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের নাফ নদীর বুকে জেগে ওঠা জালিয়ার দ্বীপের আয়তন ২৭১ দশমিক ৭১ একর। স্বাধীনতার পর থেকে এই দ্বীপে স্থানীয়রা ইজারা নিয়ে চিংড়ি ও লবণ উৎপাদন করে আসছিলেন। এখন বিদেশি পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ভূমি মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে প্রতীকী মূল্যে এই দ্বীপটি বর্তমানে বাংলাদেশ বেজা অনুকূলে বন্দোবস্তি দিয়েছে।গত বছরের ৭ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্যসচিব আবুল কালাম আজাদের নেতৃত্বে ১৯ জন সচিব জালিয়ারদিয়া ও সাবরাং এলাকা পরিদর্শন করেন। তখন এ দ্বীপের সৌন্দর্য দেখে তখন সবাই মুগ্ধ হন। এরপর দ্বীপটিতে পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার কাজে হাত দেয় বেজা।টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শফিউল আলম বলেন, মহাপরিকল্পনার জন্য প্রতিনিধিদলটি জালিয়ার দ্বীপ অর্থনৈতিক অঞ্চলের জায়গা পরিদর্শন করেছেন। দ্বীপটি দেখে পরামর্শকরা খুবই মুগ্ধ হয়েছেন।তিনি আরো বলেন, পর্যটকদের জন্য এখানে তৈরি হবে আধুনিক মানের রিসোর্ট ও রেস্তোরাঁ। পাহাড় থেকে নদীতে নামার জন্য স্থাপন করা হবে ক্যাবল কার। থাকবে কেনাকাটার আধুনিক শপিং সেন্টার। জালিয়ার দ্বীপে গড়ে তোলা হবে একটি অন্য রকম বিনোদন কেন্দ্র।এসব চিন্তা মাথায় রেখে মহাপরিকল্পনা তৈরি করতে তারা পরিদর্শনে আসেন। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে দেশ-বিদেশি লাখ লাখ পর্যটক টেকনাফে ভিড় জমাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।সায়ীদ আলমগীর/বিএ