টাঙ্গাইলের ১২ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বন্যার পানি ঢুকে পড়ায় জেলার ৪৩৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। গত ২ আগস্ট কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা শুরু হলেও বন্যা কবলিত প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরীক্ষার বাইরে রাখা হয়েছে। এর ফলে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন বন্যা কবলিত প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্তৃপক্ষ। ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। টাঙ্গাইল জেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, জেলার ১২টি উপজেলার মধ্যে ৮টি উপজেলার হাইস্কুল, মাদরাসা ও কলেজসহ ১৪৭টি প্রতিষ্ঠান বন্যার কারণে বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে নাগরপুরে ৬৪টি, ভূঞাপুরে ২২টি, সদরে ২৪টি, বাসাইলে ৪টি, সখিপুরে ১টি, মির্জাপুরে ৪টি, দেলদুয়ারে ১২টি, কালিহাতীতে ১৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। টাঙ্গাইল জেলা শিক্ষা অফিসার শফী উল্লাহ জানান, বন্যায় টাঙ্গাইলের ১৪৭টি উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের প্রতিষ্ঠান রয়েছে। বন্যাকবলিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকা মন্ত্রাণালয়ে পাঠানো হয়েছে। বন্যাকবলিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো যত দ্রুত খোলা যায় এ ব্যাপারে তারা কাজ করছেন। অপরদিকে, টাঙ্গাইল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলার মধ্যে ৮টি উপজেলার ২৮৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পানি ঢুকে পড়ায় বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ৬৫, দেলদুয়ারে ৫১, ভূঞাপুরে ৫৪, নাগরপুরে ১৬, কালিহাতীতে ২৬, বাসাইলে ৮, মির্জাপুরে ৩, গোপালপুরে ২টি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আতাউর রহমান জানান, বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে। দ্রুতই বন্যা কবলিত ২৮৯টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা হবে। যে সকল প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে, সে সকল প্রতিষ্ঠানের তালিকা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। যেসব স্কুলে পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হয়নি সেগুলোতে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। আরিফ উর রহমান টগর/এসএস/পিআর