বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা না হলে বাংলাদেশ মালয়েশিয়ার চেয়ে আরো উন্নত হতো দাবি করে ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ বলেছেন, মীর জাফর, গোলাম আযম, খোন্দকার মোস্তাক ও জিয়া এদেশের স্বাধীনতায় বিরোধিতা করেছে। যুগে যুগে এসব বিশ্বাস ঘাতকের কারণে জাতির কাঙ্ক্ষিত অগ্রযাত্রা স্তব্ধ হয়েছে। এখনো তাদের উত্তরসূরিরা ঘৃণিত ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে দেশে সংঘটিত জঙ্গিবাদ তৎপরতা তারই অংশমাত্র।কক্সবাজার পাবলিক লাইব্রেরি ও ইনস্টিটিউটে শুক্রবার জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত দিনব্যাপী ‘ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্পের’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের ব্যবস্থাপনায় এ চিকিৎসা ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার ঘটনার মূলহোতা হিসেবে তারেক জিয়াকে দায়ী করে মন্ত্রী বলেন, বেগম জিয়ার সন্ত্রাসী ও দুর্নীতিগ্রস্ত ছেলে তারেক জিয়া আরেকটি পনেরোই আগস্ট সৃষ্টির জন্য নানাভাবে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বাসঘাতক জিয়া পরিবার হয়তো দিবা-স্বপ্নে বাস করছেন, যেটি আজকের বাংলাদেশে সম্ভব হবে না।বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আগামী ২০২১ সালের মধ্যে মধ্য আয়ের দেশে পরিণত হবে। এ লক্ষ্যে সরকার নানা উন্নয়ন কর্মকাণ্ড শুরু করেছে। সরকার বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিৎসা ও বাসস্থান জনগণের এ পাঁচটি মৌলিক অধিকার বাস্তবায়নে কাজ করছে।জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাড. সিরাজুল মোস্তফার সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের জেলা শাখার সভাপতি ডা. মাহবুবর রহমান।কক্সবাজার পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি নজিবুল ইসলামের পরিচালনায় ফ্রি চিকিৎসা সেবা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, কক্সবাজার সদর আসনের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, সাবেক নারী সাংসদ এথিন রাখাইন, ভূমি মন্ত্রীর স্ত্রী মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী কামরুন্নাহার বেগম, কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. রেজাউল করিম, সিভিল সার্জন ডা. পুচনু, কক্সবাজার পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র মাহবুবুর রহমান তপু প্রমুখ।বিকেলে সপরিবারে মন্ত্রী রামুর বৌদ্ধ পুরাকীর্তি ও চকরিয়ার ডুলাহাজারা বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক পরিদর্শন করেন। রামুতে বৌদ্ধ বিহার ও গৌতম বুদ্ধের একশ ফিট সিংহসয্যা মূর্তিসহ নানা স্থাপনা এবং পার্কের সবুজ প্রকৃতি এবং পশুপাখির অবস্থান ঘুরে দেখেন তারা। এসময় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ প্রশাসনের সংশ্লিষ্টরা তাদের সঙ্গে ছিলেন।সায়ীদ আলমগীর/এআরএ/এমএস