দেশজুড়ে

৭ খুন মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণ ২২ আগস্ট

নারায়ণগঞ্জের আলোচিত ৭ খুনের মামলার দ্বিতীয় তদন্তকারী কর্মকর্তাসহ পুলিশের ৫ সদস্যের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আগামী ২২ আগস্ট পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন।  মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সাত খুনের ঘটনায় গ্রেফতার নূর হোসেন, তারেক মুহাম্মদ সাঈদসহ ২৩ আসামির উপস্থিতিতে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেনের আদালতে ওই ৫ জনের সাক্ষ্য ও জেরা গ্রহণ করা হয়। নারায়ণগঞ্জ জেলা আদালতের পিপি (পাবলিক প্রসিকিউটর) অ্যাডভোকেট ওয়াজেদ আলী খোকন জানান, মঙ্গলবার ৭ খুন মামলার দ্বিতীয় তদন্তকারী কর্মকর্তা ওই সময়ের ডিবির এসআই আবদুল আউয়াল, পুলিশের এসআই আবুল খায়ের, মহিবুল্লাহ ও হারুন মিয়া এবং এএসআই আতাউর রহমানের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। পরে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা তাদের জেরা করেন।  তিনি জানান, সাক্ষ্য প্রদানকারী এই পাঁচ পুলিশ কর্মকর্তা সাত খুনের ঘটনার পর বিভিন্ন সময়ে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসামিদের গ্রেফতারের পর তাদের ঠিকানা ও বিস্তারিত পরিচয় সনাক্তসহ যাবতীয় ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহের দায়িত্ব পালন করেছেন। এদের মধ্যে এসআই আবদুল আউয়াল খণ্ডকালীন তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন। জানা গেছে, সাত খুনের পর প্রথমে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা হয়। তখন মামলাটি তদন্ত করেন থানার এসআই ফজলুল হক। ইতোমধ্যে তিনি মারা গেছেন। পরে মামলাটি ডিবিতে হস্তান্তর করা হলে ২০১৪ সালের ৩ মে হতে ৭ মে পর্যন্ত তদন্ত করেন ডিবির তদন্তকারী কর্মকর্তা এসএস আউয়াল। তিনি বদলি হলে মামলাটির তদন্ত ভার দেয়া হয় ওসি মামুনুর রশিদ মন্ডলকে। তিনিই মামলাটি তদন্ত করে ২০১৫ সালের ৮ এপ্রিল চার্জশিট দেন। এখন পর্যন্ত ৭ খুনের দুই মামলায় মোট ১০৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। জানা গেছে, সাত খুনের ঘটনায় দুটি মামলা হয়। একটি মামলার বাদী নিহত আইনজীবী চন্দন সরকারের মেয়ে জামাতা বিজয় কুমার পাল ও অপর বাদী নিহত নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি। দুটি মামলাতেই অভিন্ন সাক্ষী হলো ১২৭ জন করে। শাহাদাত হোসেন/এসএস/এমএস