`একটা সময় হাজার কোটি টাকার ইমিটেশন গহনার বাজার ভারতীয়দের দখলে ছিল। সে সময় আমাদের মিলন সিটি গোল্ডের ইমিটেশনের গহনা বাজারে ছাড়ার পর ভারতীয় ব্যবসায়ীরা ব্যবসা গুটিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছিল।এখন আমাদের টিকে থাকতে দরকার উন্নত প্রযুক্তি ও টাকা। একমাত্র সহজ শর্তে ঋণ দিলেই আমরা বাঁচবো। কথাগুলো বলছিলেন মিলন সিটি গোল্ড লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর রশিদুন্নবী মিলন।তিনি আরো জানান, ভারত উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে গহনাতে লালছে রঙ দিতে পেরেছে। কিন্তু শুধু পুঁজির অভাবে আমরা উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার করে রঙ দিতে পারছি না। ফলে নিজের কারখানাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গড়ে ওঠা অধিকাংশ সিটিগোল্ড তৈরির কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।নিকেল মিস্ত্রি মহসীন আলী জানান, ২০০৪ সালে ঝিনাইদহের সীমান্তবর্তী মহেশপুর উপজেলায় একেবারে নিজস্ব উদ্যোগে গড়ে ওঠে জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান মিলন সিটি গোল্ডসহ ১৫টি ছোট-বড় কারখানা। খুব দ্রুতই স্থানীয়ভাবে ও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বাজার সৃষ্টি করতে সক্ষম হয় তারা। তিনি আরো বলেন, বছরে কমপক্ষে ২/৪ কোটি টাকার বাণিজ্য হতো। এ পেশার সঙ্গে কমপক্ষে ৫ হজার নারী-পুরুষ জড়িত ছিলেন। একজন পুরুষ শ্রমিক কমপক্ষে ৬ হাজার টাকা এবং একজন নারী শ্রমিক ঘরে বসে কমপক্ষে ৩ হাজার টাকা অনায়াসে আয় করতেন। আস্তে-আস্তে সব বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। আমরাও বেকার হয়ে যাচ্ছি। আরেক সত্ত্বাধিকারী জানান, আধুনিক প্রযুক্তির অভাব, চোরাই পথে ভারতীয় সিটি গোল্ড আসা, সস্তা চায়না সিটি গোল্ডে বাজার সয়লাব হচ্ছে। কিন্তু আমাদের যদি সরকার সহায়তা করে তবে অবশ্যই এ প্রতিযোগিতায় আমরা টিকে থাকতে পারবো।আহমেদ নাসিম আনসারী/এসএস/পিআর