ভৈরবে বাংলাদেশ পেট্রল পাম্প ও ট্যাং লরি মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের ডাকে ধর্মঘট পালিত হয়েছে। ১২ দফা দাবি আদায়ের লক্ষে রোববার সকাল ৬টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ভৈরবের তিনটি জ্বালানি তেল ডিপো পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা থেকে কোনো তেল সরবরাহ করা হয়নি। এসময় কিশোরগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আসা প্রায় শতাধিক ট্যাংক লরি তেলের জন্য অপেক্ষায় থাকে। বন্ধের দিন ব্যতিত ভৈরবের তিনটি ডিপো থেকে প্রতিদিন প্রায় ৮/১০ লাখ লিটার জ্বালানি তেল দেশের কয়েকটি জেলায় সরবরাহ করা হয় বলে ডিপো সূত্রে জানা গেছে। এছাড়া নদীপথে হাওর এলাকায় সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, নবীনগরসহ আরও কয়েকটি জেলায় ভৈরব থেকে তেল সরবরাহ করা হয়। আজকের এ ধর্মঘটের কারণে এসব জেলায় ৯ ঘণ্টা তেল সরবরাহ বন্ধ থাকে। এতে নদীপথে অসংখ্য নৌকা এবং সড়কপথে প্রায় শতাধিক ট্যাংক লরি তেল নিতে এসে চরম দুর্ভোগে পড়ে। ময়মনসিংহ থেকে আসা ট্যাংক লরির ড্রাইভার রমিজ উদ্দিন জানান, গতকাল শনিবার রাতে ভৈরবে এসে রোববার বিকেল পর্যন্ত তেল ডিপো থেকে তেল নিতে পারেনি। হাওর এলাকার সুনামগঞ্জ থেকে আসা মইদর মাঝিও একই কথা বলেন।ভৈরবের যমুনা ডিপোর সুপারিয়েনটেন্ট নাজমুল হোসেন জানান, আমাদের ডিপো থেকে প্রতিদিন ৩ লাখ লিটার তেল সরবরাহ করা হয় কিন্ত ধর্মঘটের কারণে আজ তেল সরবরাহ করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে ভৈরব জ্বালানি তেল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আলহাজ্জ জিল্লুর রহমান জানান, বাংলাদেশ পেট্রল পাম্প ও ট্যাংক লরি ঐক্য পরিষদের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে আমরাও ভৈরবে ধর্মঘট পালন করেছি। ১২ দফা দাবি আদায়ের লক্ষেই এই ধর্মঘট। সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন বলেন, আমরা আশা করি আজকের পর কর্তৃপক্ষ আমাদের যৌক্তিক দাবিগুলো মেনে নেবে।আসাদুজ্জামান ফারুক/এফএ/এমএস