দেশজুড়ে

মৃত্যুর আগে ছেলের খুনিদের বিচার দেখে যেতে চাই

তিন বছর আগে ২০১৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জেলা বিএনপির কর্মী সমাবেশ চলাকালে আমান উল্লাহ আমানকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করে দলীয় নেতাকর্মীরা। তারপর থেকেই সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি ও জেলা মৎস্যজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক আমান উল্লাহ আমান হত্যার বিচারের প্রহর গুনে দিন কাটছে তার পরিবারের।নিহত আমানের স্ত্রী হোসনে আরা শিরিন জাগো নিউজকে জানান, সেদিন নির্মমভাবে আমার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছিলো। বিএনপির এক প্রভাবশালী নেতা প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছিলেন, আমান নেই। তার পরিবারের দায়িত্ব আমার। আমানের সন্তান আমার সন্তান। আমার রক্ত বিক্রি করে হলেও আমি এ পরিবারকে বাঁচিয়ে রাখবো।অথচ এসব কথা তাদের মনে নেই। এখনও পর্যন্ত কেউ সহানুভুতির হাত বাড়ায়নি। একমাত্র মেয়ে নিশাত তাছনিনের অসুস্থতার কথা বলেও সহায়তা পায়নি।নিহত আমানের মা ফাতেমা খাতুন বলেন, জেলা বিএনপির সমাবেশে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আমার ছেলেকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ছেলেকে হত্যার পর থেমে থাকেনি দুষ্কৃতিকারীরা। বাড়িতে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করতো। যারা আমার বুক খালি করেছে তাদের সঙ্গে কোনো আপোস নেই। মৃত্যুর আগে খুনিদের বিচার দেখে যেতে চাই।এদিকে, এ ঘটনার কয়েকদিন পরেই জেলা কৃষক লীগের সভাপতি আবু জাহিদ ডাবলু ও অ্যাড. সালাউদ্দীন লিটনকে সদস্য সচিব করে ‘আমান হত্যার বিচার বাস্তবায়ন সংগ্রাম কমিটি’ গঠন করা হয়। পরবর্তীতে এ কমিটি আমান হত্যার বিচার বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে নানা কর্মসূচি ঘোষণা দিলেও কোনো অগ্রগতি হয়নি।আকরামুল ইসলাম/এফএ/পিআর