আসন্ন ঈদুল আযহা ও কোরবানির পশুর হাটকে কেন্দ্র করে গরু ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি রোধ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষ্যাসহ বিভিন্ন নদীতে নৌ টহল শুরু করেছে র্যাব-১১ সদস্যরা।
গরু ব্যবসায়ীদের সঙ্গে অশোভন আচারণসহ গরু টানাটানি করা হলে সরকারি দলের ক্যাডারদেরকেও ছাড় দেবে না বলে র্যাব-১১ এর দায়িত্বরত কর্মকর্তা জানিয়েছেন। এমনকি ঈদে নৌ-পথে ডাকাত দমনে নিরলস ভূমিকা পালন করা হবে।বুধবার দুপুর থেকে শীতলক্ষ্যা নদীতে এ টহল কার্যক্রম শুরু হয়। ঈদুল আযহার আগের দিন পর্যন্ত এ টহল থাকবে বলে জানানো হয়। পাশাপশি হাট ইজারাদের সতর্ক থাকার আহ্বানও জানানো হয়।নারায়ণগঞ্জ শহরের পুরাতন কোর্ট এলাকাতে অবস্থিত র্যাব-১১ এর সিপিসি-১ এর কোম্পানি কমান্ডার শাহ্ শিবলি সাদিক জানান, ২০১৪ সালে কোরবানির পশুর হাটকে কেন্দ্র করে এই শীতলক্ষ্যা নদীতে সন্ত্রাসীদের হামলায় ট্রলার ডুবে ১২টি গরু মর্মান্তিকভাবে প্রাণ হারায়। সেই ঘটনার যেন পুনরাবৃত্তি না ঘটে এ কারণে র্যাব নৌপথে টহল জোরদার করেছে।এছাড়া ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে নাশকতামূলক ও অপ্রীতিকর কর্মকাণ্ড রোধ এবং নিরাপদে ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ঈদ উদযাপনের লক্ষ্যে সড়ক পথের পাশাপাশি শীতলক্ষ্যা নদীতে নৌ টহলের মাধ্যেমে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।পশুর হাট, পশু পরিবহন, ঈদের জামাত, গার্মেন্টস শিল্প, বিপনী বিতান, বাস ও রেল স্টেশন, লঞ্চ টার্মিনালে র্যাবের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে সর্বোচ্চ। সকল স্থায়ী ও অস্থায়ী পশুর হাটে চাঁদাবাজি, ছিনতাই, প্রতারক চক্র, দালাল ও সন্ত্রাসী কর্তৃক সাধারণ ক্রেতা ও বিক্রেতাদেরকে হয়রানি বন্ধে র্যাব বদ্ধ পরিকর।শাহাদাত হোসেন/এফএ/আরআইপি