২০২১ সালে কক্সবাজার একটি আধুনিক আইসিটির শহরে পরিণত হবে উল্লেখ করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, কক্সবাজারের মতো দীর্ঘতম ও মনোমুগ্ধকর সমুদ্র সৈকত বিশ্বের কোথাও নেই। কিন্তু তথ্য প্রযুক্তিতে পিছিয়ে থাকার কারণে পর্যটনের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। পর্যটন নগরীকে বিশ্বের কাছে জনপ্রিয় করে তোলার জন্য আইসিটি সমৃদ্ধ শহর গড়ে তুলতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী ২০২১ সালের মধ্যে বিশ্বের সঙ্গে তথ্য প্রযুক্তির যোগাযোগের অন্যতম জোন ও আধুনিক পর্যটন নগরীর মর্যাদা পাবে কক্সবাজার। বুধবার কক্সবাজার বিয়াম মিলনায়তনে আয়োজিত ডিজিটাল বাংলাদেশে আমরা দুর্বার স্লোগানে ‘আইসিটি ক্যারিয়ার ক্যাম্প-২০১৬’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীনে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিবিসি) লিভারেজিং আইসিটি ফর গ্রোথ, ইমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড গভর্ন্যান্স (এলআইসিটি) প্রকল্প আয়োজিত এ ক্যাম্পে প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ঢাকার বাইরে ৬টি সটফওয়্যার টেনকোলজি পার্ক (হাইটেক পার্ক) নির্মাণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে কক্সবাজারের রামুতে প্রায় ৯ একর জমির ওপর একটি হাইটেক পার্ক নির্মিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে ওই জায়গার সম্ভাবতা যাচাই করে প্রকল্প অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। খুব শিগগিরই একনেকে প্রধানমন্ত্রী এ প্রকল্পের অর্থ ছাড় দেবেন। এরপর নির্মাণ কাজ শুরু হবে ওই হাইটেক পার্কের। এই পার্ক নির্মিত হলে তরুণ প্রজন্ম আইটিতে দক্ষ হয়ে কক্সবাজার পর্যটন নগরীকে সারা বিশ্বের কাছে দ্রুত জনপ্রিয় করে তুলতে পারবে।পলক আরো বলেন, সরকার জনসংখ্যাতাত্বিক সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে আইটিতে একুশ শতকের উপযোগি দক্ষ মানব সম্পদ গড়ে তুলছে। আগামী তিন বছরে শুধুমাত্র তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ আইসিটিতে এক লাখ দক্ষ মানব সম্পদ গড়ে উঠবে। কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল মোস্তফা, কক্সবাজার সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর একেএম ফজলুল করিম চৌধুরী, লিভারেজিং আইসিটি ফর গ্রোথ, এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড গভর্নেন্স (এলআইসিটি) প্রকল্প পরিচালক মো. রেজাউল করিম। অতিথি ছিলেন, কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. আবুল কাশেম।সায়ীদ আলমগীর/এআরএ/এবিএস