সাভারের আশুলিয়া ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে দুইজন নিহত হয়েছেন। নিহত দুইজনই ডাকাত বলে দাবি করেছে পুলিশ। নিহতরা হলেন আনোয়ার হোসেন ও মো. কাজল মিয়া ওরফে কাজল ডাকাত (৩৫)। কাজল নবীনগর উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের গাজী মিয়ার ছেলে। আনোয়ার হোসেনের বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি।আশুলিয়ার পুলিশ জানায়, রোববার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে আশুলিয়ার টঙ্গাবাড়ির শ্রীখন্ডিয়া এলাকায় কয়েকটি গুলির শব্দ শোনা যায়। পরে গিয়ে দেখা যায় একজন ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন। সেখান থেকে পুলিশের গাড়িতে করে তার মরদেহ ঢাকা মেডিকলের মর্গে পাঠানো হয়। নিহতের বিস্তারিত পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ।এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহসিনুল কাদিরের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি তা রিসিভ করেননি। তাকে না পেয়ে থানার সেকেন্ড অফিসার মো. আনিছের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, এ বিষয়ে তার কাছে কোনো তথ্য নেই। ঘটনাটি থানার ওসি জানেন। তিনি (ওসি) এখন ঘুমাচ্ছেন।অপরদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে শনিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার বিটঘর ইউনিয়নের আওয়ালভাঙ্গা ব্রিজ এলাকায় ওই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। এতে নবীনগর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) রেজাউল করিমসহ তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।নবীনগর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ আহম্মেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জাগো নিউজকে জানান, শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে একদল সশস্ত্র ডাকাত উপজেলার বিটঘর ইউনিয়নের আওয়াল ব্রিজ এলাকার মহেশ রোডে গাছের গুঁড়ি ফেলে ব্যারিকেড সৃষ্টি করে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ সময় টহল পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গেলে ডাকাতরা তাদের লক্ষ্য করে গুলি করে।এ সময় আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ডাকাত দলের সদস্য কাজল মিয়া মারা যান। তবে ধারণা করা হচ্ছে, ডাকাতদের গুলিতেই কাজলের মৃত্যু হয়েছে। তবে বাকি ডাকাতরা পালিয়ে যাওয়ায় তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি।তিনি আরো জানান, নিহত কাজলের বিরুদ্ধে ডাকাতির অভিযোগে থানায় ৮টি মামলা রয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি পাইপগান, দুই রাউন্ড কার্তুজ ও চারটি রামদা উদ্ধার করেছে।বিএ/এমএস