দেশজুড়ে

ছাত্রলীগ নেতা খুন : প্রধান আসামির আত্মসমর্পণ

লালমনিরহাট জেলা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক মশিউর রহমান মুশফিক (১৯) হত্যার প্রধান আসামি নাজিম উদ্দিন থানায় আত্মসমর্পণ করেছে।শনিবার রাতে সে থানায় উপস্থিত হয়ে নিজেকে হত্যা মামলার আসামি হিসেবে পরিচয় দেয়। এর কিছুক্ষণ পর আদিতমারী থানা পুলিশ তাকে লালমনিরহাট পুলিশ সুপারের কার্যালয় নিয়ে যায়। সেখানে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয় বলে জানিয়েছেন লালমনিরহাট পুলিশ সুপার এসএম রশিদুল হক।গত বৃহস্পতিবার রাতে আদিতমারী উপজেলার ভাদাই ইউনিয়নের সেতু বাজার এলাকায় ছুরিকাঘাতে নিহত হয় জেলা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক মশিউর রহমান মুশফিক (১৯)। নিহত মুশফিক লালমনিরহাট সদর উপজেলার কলেজবাজার এলাকার মোজাম্মেল হকের ছেলে।এনিয়ে শুক্রবার রাতে তিন জনের নাম উল্লেখ করে আদিতমারী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে নিহতের চাচা আকতার হোসেন। ওই মামলার প্রধান আসামি ছিলেন নাজিম। আর অপর দুই আসামি হিসেবে হত্যাকাণ্ডের পরপরেই পুলিশের কাছে আটক রাজিন ও মেহেদি নামের দুই যুবককে গ্রেফতার দেখিয়েছে পুলিশ। তারা দুইজনেই নিহত মুশফিকের বন্ধু বলে জানা গেছে। তাদের গত বৃহস্পতিবার রাতে হত্যাকাণ্ডের পরপরেই সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছিল স্থানীয় জনতা। লালমনিরহাট পুলিশ সুপার এসএম রশিদুল হকে নাজিম বলেন, বর্তমানে সে আমার কার্যালয়ে রয়েছে।প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আদিতমারী উপজেলার ভাদাই ইউনিয়নের সেতু বাজার (খোলাহাটি) এলাকার নাজিম উদ্দিনের কাছে পাওনা টাকা নিতে আসেন মশিউর রহমান মুশফিক। এসময় মুশফিকের সঙ্গে একই মোটরসাইকেলে আসেন তার বন্ধু কুড়িগ্রামের বড়ভিটা এলাকার আব্দুল্লাহের ছেলে রাজিন আহমেদ রাহি (১৯) ও লালমনিরহাট সদর উপজেলার কলেজবাজার এলাকার আব্দুর রশীদের ছেলে মেহেদি হাসান রুবেল (২০)। পরে টাকা লেনদেনের জের ধরে নাজিম উদ্দিনের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত মুশফিক। এসময় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।রবিউল ইসলাম/এআরএ/এমএস