জাতীয় অর্থনীতি সমৃদ্ধির লক্ষ্যে কক্সবাজার-চট্টগ্রামে সৃজন করা অর্থনৈতিক অঞ্চলে মিয়ানমারের ব্যবসায়ীদের প্রতি বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন। একই সঙ্গে আমদানি-রফতানি বৃদ্ধি ও দু’দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মানোন্নয়নে সীমান্তে যৌথভাবে বাণিজ্যমেলা করার প্রতিও গুরুত্বারোপ করেন তিনি। সোমবার কক্সবাজারের তারকা হোটেল ওশান প্যারাডাইসের হল রুমে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত চলা ‘বাংলাদেশ-মিয়ানমার ব্যবসায়ীদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়ন’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আহ্বান জানান জেলা প্রশাসক।মিয়ানমার রাখাইন রাজ্যের ও কক্সবাজারের ব্যবসায়ীদের মাঝে নির্দিষ্ট ৮টি দফা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেয়া কক্সবাজার চেম্বার অফ কর্মাস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সহ-সভাপতি আবু মোর্শেদ চৌধুরী খোকা।বৈঠক শেষে বিকেল সাড়ে ৩টায় এক ব্রিফিংয়ে আবু মোর্শেদ চৌধুরী খোকা জানান, সভায় প্রতি মাসে টেকনাফের সুবিধাজনক স্থান ও মিয়ানমারের মংডু শহরের সীমান্ত বাজার বসানো, সীমান্ত বন্দর সম্প্রসারণ, ব্যবসার উন্নয়নে নানা বিষয়ের পাশাপাশি পর্যটনের বিষয়েও সফল আলোচনা হয়েছে। এসব বিষয় মিয়ানমারের প্রতিনিধিরা তাদের সরকারকে এবং বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা সরকারকে অবহিত করবে। আগামী নভেম্বর মাসে এ বিষয়ে অগ্রগতি নিয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা হবে বলেও জানান তিনি।সভায় বাংলাদেশ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সহকারী বাণিজ্য বিশেষজ্ঞ আবু সালেহ মুহাম্মদ ইমরান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা এবং উভয় দেশের চেম্বার অফ কর্মাস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন। এতে মিয়ানমারের ১৪ প্রতিনিধির ব্যবসায়ীদের পক্ষে নেতৃত্ব দেন রাখাইন এস্টেট চেম্বার অফ কর্মাস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির চেয়ারম্যান টিন অং। তিনি বলেন, রাখাইন রাজ্যের সঙ্গে চট্টগ্রাম অঞ্চলের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। অর্থনৈতিক উন্নতির মাধ্যমে এ সম্পর্ককে আরো জোরদার হবে। এ ছাড়া বক্তব্য রাখেন মিয়ানমারের সিটুয়েস্থ বাংলাদেশ কনসুল্যেট কার্যালয়ের কাউন্সিল ও হেড অফ মিশন শাহ আলম খোকন। কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) কাজি আবদুর রহমান। সায়ীদ আলমগীর/এএম/পিআর