দেশজুড়ে

বরই ফুলের মধু সংগ্রহে ব্যস্ত শামীম

সারা বছর দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মৌমাছির বাক্স নিয়ে আস্তানা গেড়ে মধু সংগ্রহ করেন। এরপর সংগ্রহ করা মধু বিভিন্ন কোম্পানির কাছে বিক্রি করে উপার্জিত অর্থ দিয়েই চলে তাদের সংসার। ইতোপূর্বে সিরাজগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, মাদারীপুর, পাবনা, মুন্সিগঞ্জ, গাজীপুর ও দিনাজপুরসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত ঘুরে ভ্রাম্যমাণ মৌমাছি পালক শামীম হোসেন এখন আস্তানা গেড়েছেন সাতক্ষীরার তালা উপজেলার সুজনশাহ এলাকার একটি আম বাগানে। তিনি সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালীনি ইউনিয়নের দাতিনাখালী গ্রামের জিএম আবু দাউদ হোসেনের ছেলে।বরই (কুল) ফুলের মধু সংগ্রহে এখন ব্যস্ত তিনি। তার এ কাজে সহায়তা করছেন বড় ভাই আনোয়ার হোসেন। সুজনশাহ এলাকার এক বরই বাগানের পাশে তাবু টানিয়ে ১৩০টি মৌমাছির বাক্স পেতেছেন শামীম। মৗমাছি পালক শামীম হোসেন জাগো নিউজকে জানান, আশ্বিন মাস এখন। বরই গাছে ফুল ফুটবে। বাক্সের মৌমাছিরা এই বাগানে গিয়ে ফুলের মধু সংগ্রহ করে নির্ধারিত বাক্সে ফিরে আসবে। দেড় মাস এই আস্তানায় থাকবো।আস্তানা করা জমির মালিকের বিষয়ে বলেন, ১০ কেজি মধু দিতে হবে জমির মালিককে। এই দেড় মাসে চার মণ মধু সংগ্রহ করতে পারবেন এমনটাই আশা প্রকাশা করে তিনি আরো বলেন, এই সংগ্রহকৃত মধু বিক্রি করবো স্কয়ার কোম্পানির কাছে। কোম্পানি মণ প্রতি ১০ হাজার টাকা করে দাম দিবে। স্থানীয় বাসিন্দা রাজীব রায় জাগো নিউজকে জানান, বরই গাছের ফুল থেকে যে মধু সংগ্রহ করা যায় এটা আমাদের ধারণা ছিল না। শামীম নামের এই মৌচাষি আস্তানা করার পর জেনেছি। তার কাছ থেকে খাঁটি মধু কিনবো বলে কথা বলে রেখেছি। শুধু আমি নই অনেকেই কিনবেন।এ বিষয়ে সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক আব্দুল মান্নান জাগো নিউজকে জানান, এ মধু স্বাস্থ্যসম্মত। জেলার অনেকে এ পেশার সঙ্গে যুক্ত হয়ে বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত হতে পারছে।আকরামুল ইসলাম/এফএ/এমএস