দুর্গাপুর উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রায় দুই লাখ টাকা ঘুষ নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। দুর্গাপূজায় সার্বিক নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য সরকারিভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত সদস্যদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ডিউটি দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন আনসার সদস্যরা। দুর্গাপুর উপজেলায় ৫৮টি পূজামণ্ডপে আনসার সদস্যদের চারদিনের জন্য নিয়োগ দেয়া হয়েছে। প্রতি মণ্ডপে ৬ থেকে ৪ জন করে মোট ৩২৬ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্য নিরাপত্তা কর্মীর দায়িত্ব পালন করছে। এদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫ দিনের এই ডিউটির জন্য প্রতিজনকে গুণতে হয়েছে ৫শ` টাকা করে।এভাবে ৩২৬ জন সদস্যের কাছ থেকে ১ লাখ ৬৩ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা সামসুল আবেদীন চৌধুরী ও টিআই রওশন আরা বেগমের বিরুদ্ধে। তারা দুইজনই এ বিষয়ের সিংহভাগ সত্যতা শিকার করে বলেন, এর ভাগ আমাদের উর্ধ্বতন বসদেরও দিতে হবে। দুর্গাপুর দক্ষিণপাড়ার দায়িত্ব পাওয়া আনসার সাইদা আক্তার, সালেমা, মোস্তফা হোসেন, এমদাদুল হক, ফজলু মিয়া, আল আমিন, মিনারা খাতুন; মোক্তারপাড়ার আ. সোবান, মজিব নগরের মো. মজিবুর রহমান, গনি মিয়া, দশাল গ্রামের আবু সাইদ, ছমেদ আলী, ফারংপাড়া গ্রামের জুলেখা খাতুন, খরস গ্রামের মদিনা খাতুন জাগো নিউজকে বলেন, আমাদের কাজ দরকার। টাকা না দিলে ডিউটিতে নাম উঠায় না। তাই ৫শ` টাকা করে দিতে হয়েছে। দুর্গাপুর ইউনিয়নের ইউনিয়ন দলপতি রফিকুল ইসলাম চানু টাকা লেনদেনের বিষয়ে প্রধান সমন্বয়ক ছিলেন বলে একটি সূত্র জানিয়েছে।দুর্গাপুর উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা সামসুল আবেদীন চৌধুরী জাগো নিউজকে জানান, টিআই রওশন আরা বেগম কয়েকজনের কাছ থেকে টাকা নিয়েছিল, আমি তাকে ডেকে টাকা ফেরত দিতে বলার পর সে ফেরত দিয়েছে।এ ব্যাপারে নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মামুনুর রশীদ জাগো নিউজকে জানান, বিষয়টি শুনেছি এবং আনসার কর্মকর্তাকে ফোন করেছি। তিনি অস্বীকার করেছেন। বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখছি।উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. এমদাদুল হক খান জাগো নিউজকে জানান, আমি বিষয়টি কেবল শুনলাম। যদি এমন কাজ করে থাকে তাহলে আমি বিষয়টি দেখব।কামাল হোসাইন/এসএস/এবিএস