অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কম এর মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধি, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও ঢাকা থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদপত্র পরিবহন ও বিক্রয় এজেন্ট আতিকুর রহমান টিটু রোববার ভোরে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। তার বয়স হয়েছিল ৫১ বছর। তিনি স্ত্রী, তিন মেয়ে ও এক ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে জেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। রোববার সকালে ঢাকার মগবাজারে প্রথম জানাজা শেষে মরদেহ মেহেরপুরে নিয়ে যাওয়া হয়। আজ রাত ৮টা ১৫ মিনিটে শহরের শহীদ সামসুজ্জোহা পার্কে দ্বিতীয় জানাজা শেষে মেহেরপুর পৌর কবরস্থানে মায়ের কবরের পাশে তার লাশ দাফন করা হবে। প্রায় আট মাস ধরে দুরারোগ্য ব্যাধি ক্যান্সারে ভুগছিলেন আতিকুর রহমান টিটু। ভারতের মুম্বাইয়ের এশিয়ান ক্যান্সার হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তিনি। সেখানকার ডাক্তারদের পরামর্শে দেশে ফিরে কয়েকদিন আগে শারীরিক অবস্থার কিছুটা অবনতি হলে তাকে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়।আতিকুর রহমান টিটু মেহেরপুর জেলার সাংবাদিকদের উন্নয়ন, ঐক্য ও অধিকার আদায়ে সব সময় সোচ্ছার ছিলেন। তিনিই জেলায় প্রথম ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক। এটিএন বাংলার জন্মলগ্ন থেকে অদ্যাবধি তিনি মেহেরপুর জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে একই প্রতিষ্ঠানের এটিএন নিউজের যাত্রা শুরু হলে সেখানেও তিনি জেলা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পান। জেলার সিনিয়র এই সাংবাদিক লেখনির শুরু থেকেই এক সময়ের জনপ্রিয় পত্রিকা আজকের কাগজসহ বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে সুনামের সঙ্গে কাজ করেছেন। ইলেকট্রনিক মিডিয়ার পাশাপাশি তিনি দৈনিক মানবকণ্ঠ, সকালের খবর, সংবাদ ও জাগো নিউজের জেলা প্রতিনিধি ছিলেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি মেহেরপুর প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।এছাড়া মেহেরপুর পেপার হাউজের স্বত্বাধিকারী আতিকুর রহমান টিটু মেহেরপুর সংবাদপত্র পরিবহন ও বিক্রয় এজেন্ট ছিলেন। এফএ/এমএস