দেশজুড়ে

একটি কম্পিউটারও নেই ঠাকুরগাঁও জেলা আ.লীগ কার্যালয়ে

ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ ডিজিটাল সেবায় সবার চেয়ে এগিয়ে থাকার দাবি করলেও দলীয় অনেক কার্যক্রমেই এখনও ডিজিটালের ছোঁয়া লাগেনি ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে। সেখানে নেই কম্পিউটার, নেই ইন্টারনেট ব্যবস্থাও।জেলার প্রধান কার্যালয়টি নেতাকর্মীদের প্রাণকেন্দ্র হলেও এখানে বিরাজ করছে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। বেশিরভাগ সময়ই বন্ধ থাকে কার্যালয়টি। সভা সেমিনার ছাড়া দলীয় কার্যালয়ে কোনো নেতাকর্মীকে দেখা যায় না। এছাড়াও বিভিন্ন সভা-সমাবেশ ও সংবাদ সম্মেলনে এসে গরমে চরম ভোগান্তির শিকার হন সংবাদকর্মী ও দলীয় নেতাকর্মীরা। জেলা আওয়ামী লীগ দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দলীয় কার্যালয়ে অনলাইন চালু করার বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। দল ক্ষমতায় থাকায় সবাই সরকারি কাজ নিয়ে ব্যস্ত। দলকে ডিজিটাল করা নিয়ে কেউ ভাবছে না।সংশ্লিষ্টদের মতে, গত প্রায় সাড়ে ৭ বছরে ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে সরকারের কার্যক্রম আশানুরূপ হলেও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রমে এখনো ডিজিটালের ছোঁয়া লাগেনি। আওয়ামী লীগ ডিজিটাল বাংলাদেশের সরকারি কার্যক্রমে সফল হলেও দলীয়ভাবে পুরোপুরি ব্যর্থ।ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অধ্যক্ষ শাহাজান আলী বলেন, বর্তমান সরকার সারাদেশেই ডিজিটালের কার্যক্রম পৌঁছে দিয়েছে। আমাদের দলীয় কার্যালয়ে বর্তমানে কোনো ডিজিটালের ছোয়া নেই। কিন্তু গত জেলা কমিটির সভায় জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়কে ডিজিটাল করার লক্ষ্যে কম্পিউটার, ইন্টারনেট চালুর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। কিছু দিনের মধ্যে তা বাস্তবায়ন করা হবে।জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. মোস্তাক আলম টুলু জানান, জেলা কার্যালয় ডিজিটালের ছোয়া না পেলেও দলীয় নেতাকর্মীরা এখন অনেক ডিজিটাল। প্রায় সকলে ইন্টারন্টে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ব্যবহার করছে। জেলা কার্যালয়ে যেন দ্রুত ডিজিটালের ছোয়া লাগে সে বিষয়ে সকলে মিলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দবিরুল ইসলাম জানান, বর্তমান সরকার মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটালের ছোয়া পৌঁছে দিতে সক্ষমতা অর্জন করেছে। সরকারি কাজে ব্যস্ত থাকার কারণে দলীয় কার্যালয়ে বর্তমানে ডিজিটালের ব্যবস্থা করা হয়নি। দু’এক মাসের মধ্যে ডিজিটালের সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া দলের বেশির ভাগ নেতাকর্মীই ফেসবুক ব্যবহার করছে।এফএ/আরআইপি