শ্রমজীবী রবিউল ইসলাম (৩০)। সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার বালাকাটি গ্রামের শোকর আলী গাজীর ছেলে। বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ঝলসে গিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটের ৫২৫ নম্বর রুমের ২২ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন। বাবা শোকর আলী গাজীর থাকা সর্বস্ব ১৫ কাটা জমি বিক্রিও করে ফেলেছেন ছেলের চিকিৎসার জন্য। রবিউলের বাবা জাগো নিউজকে বলেন, প্রতিদিন সাড়ে ৩ হাজার টাকার ওষুধ কিনতে হচ্ছে। ডাক্তার বলেছেন এখনো এক মাস থাকতে হবে। মাথায় অপারেশন করতে ১২ হাজার টাকা লাগবে বলে ডাক্তার জানিয়েছেন। সব মিলিয়ে এখনো এক লাখ ১৭ হাজার টাকা প্রয়োজন। নিজের থাকা সর্বস্ব শেষ করে পরিবারটি যখন দ্বারে দ্বারে ঘুরছে তখন `টাকার অভাবে ওষুধ কিনতে পারছে না রবিউলের পরিবার` শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে জাগো নিউজ।বিষয়টি সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দীনকে অবহিত করা হয়। অবশেষে রবিউলের অসহায় বাবা-মা মঙ্গলবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের কাছে আর্থিক সহায়তার একটি লিখিত আবেদন দিলে জেলা প্রশাসক রবিউলের চিকিৎসার জন্য সহায়তা করবেন বলে জানান। এরআগে ১০ সেপ্টেম্বর কালিগঞ্জের চৌমহোনী মোড় এলাকায় কাজ করার সময় বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে পড়ে রবিউল। এসময় তার সমস্ত শরীর ঝলসে যায়। কালিগজঞ্জ হাসপাতাল থেকে সাতক্ষীরার সদর হাসপাতাল, সেখান থেকে খুলনা মেডিকেল কলেজ তারপর নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে।রবিউলকে সহায়তার জন্য একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে যার হিসাব নম্বর-১৫৯১৬। এছাড়া ০১৯৬০০৩৭৯৬৫ নম্বরে টাকা বিকাশ করা যাবে। ০১৭২৭০১৩৭৯৭ নাম্বরে কল করে সবশেষ অবস্থা জানতে পারবেন।আকরামুল ইসলাম/এফএ/পিআর