দেশজুড়ে

নাডা মোকাবেলায় ভোলায় ৮টি কন্ট্রোল রুম : উপকূলে প্রচারণা

ভোলায় ঘূর্ণিঝড় নাডা মোকাবেলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে জেলা প্রশাসন। এরই ধারাবাহিকতায় প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলাজুড়ে সতর্কতা সংকেত জারির পাশাপাশি খোলা হয়েছে ৮টি কন্ট্রোল রুম। শনিবার সন্ধ্যার পর জেলা সদরে একটি ও সাত উপজেলায় ৭টি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়। জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মাহমুদুর রহমানসহ রেড ক্রিসেন্ট, ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি সিপিপি কর্মকর্তাসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।সভায় সকল উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাদের সতর্কতা গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়। এছাড়াও জেলার মৎস্য ঘাটগুলোতে ছোট ছোট নৌযান ও মাছ ধরার ট্রলারগুলোতে নিরাপদ আশ্রয়ে আসতে বলা হয়েছে। এদিকে, সন্ধ্যার পর থেকে জেলা সিপিপি কর্মীরা জেলা সদর ও নদী তীরবর্তী উপকূলের বাসিন্দারের হুঁশিয়ারি সংকেত জারি করে বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং ও প্রচারণা চালাচ্ছেন।ভোলা সিসিপির পরিচালক মো. সাহাবুদ্দিন মিয়া বলেন, এখন ৪ নম্বর সংকেতের করণে জনগণকে হুঁশিয়ার করা হচ্ছে। টানানো হয়েছে দুইটি পতাকা। প্রস্তুত রাখা হয়ে ১০ হাজারের অধিক সেচ্চাসেবীকে। তিনি আরো বলেন, সাধারণত সিপিপির ১, ২ ও ৩ নম্বরে সতর্কতা সংকেত, ৪নম্বরে হুঁশিয়ারি সংকেত, ৫,৬, ও ৭ নম্বর বিপদ সংকেত এবং ৮৯ ও ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের প্রস্তুতি নেয়া হয়। ঝড় মোকাবেলায় প্রস্তুত রয়েছে সিপিপি।অন্যদিকে, ঘূর্ণিঝড় নাডার প্রভাবে সারাদিনের মত রাতেও বৈরী আবহাওয়ায় অপরিবর্তিত রয়েছে। ভারী বর্ষণের সঙ্গে হাল্কা ও মাঝারি ধরনের ঝড়ো বাতাস বইছে। ভোলা আবহাওয়ায় অধিদফতরের সিনিয়র অবজারভার আনোয়ার হোসেন জানান, রাত ৭টা পর্যন্ত জেলায় ১১৪ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এআরএ/আরআইপি