দেশজুড়ে

পাবনায় সোনালী ব্যাংকের তিন কর্মকর্তা গ্রেফতার

অর্থ আত্মসাত মামলায় সোনালী ব্যাংক পাবনা প্রধান শাখার ম্যানেজারসহ তিন কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার বিকেলে জিঙ্গাসাবাদ শেষে দুদক কার্যালয় থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, সোনালী ব্যাংক পাবনা প্রধান শাখার ম্যানেজার আব্দুস সালাম, সাবেক প্রিন্সিপাল অফিসার দেলোয়ার হোসেন ও একই শাখার সাবেক অফিসার অরুপ কুমার ভট্টাচার্য। দুদক পাবনা আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আবু বকর সিদ্দিক জানান, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিইডি) পাবনার নির্বাহী প্রকৌশলীর নামে পরিচালিত সোনালী ব্যাংক, জেলা বোর্ড শাখার এস টি ডি হিসাব নং-৩৫ থেকে ২০১০ সালের ৩ মার্চ হতে ২০১১ সালের ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ের মধ্যে ২৩টি চেকের মাধ্যমে ৩,১০,৬৪০ টাকার বিপরীতে চেকে টাকার অঙ্ক পরিবর্তন করে কথায় ও অঙ্কে লিখে ৩১,৪০,৬৪০ টাকা উত্তোলন করে ২৮,৩০,৬৪০ টাকা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন। এ ব্যাপারে পাবনা থানায় ২০১৪ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি একটি মামলা দায়ের হয়। মামলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিইডি) পাবনার তৎকালীন নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়া, সাবেক হিসাব সহকারী মাসুদ রানা ও সাবেক সোশিওলজিস্ট তাজুন্নাহারসহ সোনালী ব্যাংক কর্মকর্তা আব্দুস সালাম, দেলোয়ার হোসেন ও অরুপ কুমার ভট্টাচার্যকে আসামি করা হয়। দীর্ঘদিন তদন্ত শেষে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে সোমবার দুপুরে ওই তিন ব্যাংক কর্মকর্তাকে দুদক কার্যালয়ে ডেকে আনা হয়। এরপর বিকেলে তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়। এ মামলার অপর আসামি মাসুদ রানা ও মোছা. তাজুন্নাহারকে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা জেল হাজতে রয়েছেন। এ নিয়ে মোট ৬ জন আসামির মধ্যে ৫ গ্রেফতার হলেও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিইডি) পাবনার সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়া এখনো পলাতক রয়েছেন। দুদক পাবনা আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আবু বকর সিদ্দিক আরো জানান, বিকেল ৪টার দিকে গ্রেফতারকৃত ব্যাংক কর্মকর্তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।একে জামান/এআরএ/পিআর