কুমিল্লায় পুলিশ ও ডাকাত দলের মধ্যে গোলাগুলি ও ডালিম নামে এক ডাকাত নিহতের ঘটনায় হোমনা থানা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) কামরুল ইসলাম বাদী হয়ে পৃথক ৪টি মামলা করেছে। ডাকাতির প্রস্তুতি, হত্যা, অস্ত্র-বিস্ফোরক আইন ও পুলিশকে আহত করার অভিযোগে প্রতিটি মামলায় ২০ জন করে আসামি করা হয়। পুলিশ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য মামলার দুই আসামিকে গ্রেফতারসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে। রোববার গ্রেফতার দুই ডাকাতকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান কুমিল্লার জেলা পুলিশ সুপার মো. শাহ আবিদ হোসেন। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় জেলার হোমনা উপজেলার শ্রীমদ্দি এলাকায় মেঘনা নদীর পাড়ে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, শনিবার সন্ধ্যায় জেলার হোমনা উপজেলার শ্রীমদ্দি, লটিয়া ও আশপাশ এলাকায় থানার এএসআই কামরুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে নৌ-টহলের দায়িত্ব পালন করছিলেন। এ সময় একদল ডাকাত শ্রীমদ্দি নদীর ঘাটের অদূরে মেঘনা নদীর পাড়ে স্পিডবোট নিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে- এমন খবর পেয়ে পুলিশের টহল দল ওই এলাকায় অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে রবিউল ও জুয়েল নামে দুজনকে আটক করে পুলিশ। এ সময় একটি পিস্তল, ৩ রাউন্ড গুলি, ৩টি এলজি, ১৪টি কার্তুজ, ৭টি ককটেল, একটি বড় ছুরি, তিনটি রামদা, ২০টি লাইফ জ্যাকেট, চারটি হেলমেট উদ্ধার করা হয়। এদিকে পুলিশ-ডাকাতের মধ্যে গুলিবিনিময়কালে আহত নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহারিয়া গ্রামের ডালিম নামে এক ডাকাত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর মারা যায়। কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. শাহ আবিদ হোসেন জানান, এ ঘটনায় হোমনা থানার এএসআই কামরুল ইসলাম বাদী হয়ে পৃথক চারটি মামলা দায়ের করেছেন। প্রতিটি মামলায় ২০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ৪-৫ জন ডাকাতকে আসামি করা হয়। মো. কামাল উদ্দিন/এএম/পিআর