বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, আওয়ামী লীগ আর বেশিদিন ক্ষমতায় থাকতে পারবে না। রাজনীতির কিছু হিসাব আছে, কোনো হিসাবেই তা মেলে না। আওয়ামী লীগ নির্বাচন দিতে ভয় পায়। কারণ তারা জানে নির্বাচন হলে জনগণ তাদের ভোট দেবে না। তারা এখন কৌশলে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে চায় এবং কৌশলে তারা ভোটের আগেই ভোটবাক্স ভর্তি করতে চায়। রোববার দুপুরে সিরাজগঞ্জ ভাসানী মিলনায়তনে জেলা বিএনপির প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন তিনি।তিনি বলেন, দেশ এখন চরম দুঃসময় পার করছে। আমাদের এমন কোনো নেতাকর্মী নেই যিনি কোনো না কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হননি। কেউ আহত হয়েছেন, গুম হয়েছেন, কেউ মিথ্যা মামলার স্বীকার হয়েছেন। আওয়ামী লীগ ভালো করে জানে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে কোনো দলকে দুর্বল করা যায় না। তিনি আরো বলেন, ’৭০র নির্বাচনের পূর্বে এরশাদ সাহেবের আমলে আওয়ামী লীগকেও ধ্বংসের চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু তারপরও তারা বার বার ক্ষমতায় এসেছেন। এসব কথা এখন তারা ভুলে গেছে। এরশাদ আমাদের বিপদে ফেলার অনেক চেষ্টা করেছে। আমাদের অনেক নেতাকে বাগিয়ে নিয়েছে। নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে। আমরা মাসের পর মাস বাড়ি থাকতে পারিনি। তবুও টিকে থাকতে হয়েছে। এরশাদ আমাদের কয়েক মাস রেখেছেন জেলে। আর এরশাদ সাহেব এক সাথে পাঁচ বছর জেল খেটেছেন। তৃণমূল নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, নেতা হবেন তিনি যিনি কর্মীদের কাছে গ্রহণযোগ্য, সব আন্দোলনে যিনি কর্মীদের পাশে থাকেন। যারা কর্মীদের ডাকে সাড়া দেন না, কর্মীদের পাশে দাঁড়ান না তারা নেতা হওয়ার যোগ্য নন। সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য বেগম রুমানা মাহমুদের সভাপতিত্বে সভায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (রাজশাহী) রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মোমিন তালুকদার খোকা, অ্যাড. সৈয়দ শাহীন শওকত, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য বাবুল আহম্মেদ, কেন্দ্রীয় সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড, মোকাদ্দেস আলী, কেন্দ্রীয় সদস্য সাইদুর রহমান বাচ্চু, সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নান তালুকদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।ইউসুফ দেওয়ান রাজু/এআরএ/এবিএস